মাইলফলক থেকে ২৬ রান দূরে। এমন সময় ইলিয়াস সানির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়লেন লিটন দাস। তাতে রকিবুল হাসানের পর আরেকজন ট্রিপল সেঞ্চুরিয়ান না পাওয়ার আক্ষেপ রয়ে গেল বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে।
লিটন মাইলফলক ছুঁতে না পারলেও তার চওড়া ব্যাটে ভর করে সেন্ট্রাল জোনের রানপাহাড় টপকে চূড়ায় উঠেছে তার দল ইস্ট জোন। তৃতীয় দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৫৯২ রান। ৪৬ রানের লিড হয়ে গেছে। সেন্ট্রালরা প্রথম ইনিংসে করেছিল ৫৪৬ রান।
ছন্দে থাকলে লিটন কতটা ভয়ঙ্কর তারই আরেকটি নমুনা যেন দিলেন রাজশাহীতে। ২৭৪ রানের ইনিংসে বল খেলেছেন কেবল ২৯৩টি। স্ট্রাইকরেট ৯৩.৫১! ৩৫টি চারের পাশে ছয়ের সংখ্যাটা অবশ্য একটু কমই, মাত্র ২টি। যেভাবে খেলছিলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি পাওয়াটা সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল।
এর আগে ২০০৬-০৭ মৌসুমে ৩১৩ রানের একটি ইনিংস খেলেছিলেন টাইগারদের সাবেক ব্যাটসম্যান রকিবুল হাসান। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ইতিহাসে সেটিই একমাত্র ট্রিপল সেঞ্চুরির কীর্তি। গত বছর জাতীয় লিগে মাত্র পাঁচ রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি পাননি নাসির হোসেন।
লিটন ধন্যবাদ দিতে পারেন আফিফ হোসেনকেও। তার একজন যোগ্য সঙ্গী দরকার ছিল। দুজন মিলে গড়েছেন ২৯৮ রানের জুটি। আগেরদিনে ৩১ রানে অপরাজিত আফিফ নিজের ইনিংসকে ১৪২ রান পর্যন্ত টেনে নিয়ে থেমেছেন। ২২৭ বলের ইনিংসটিতে ১৫টি চারের সঙ্গে হাঁকিয়েছেন ৫টি ছয়।







