ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজের সাফল্য মাথায় রাখলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও স্পিন সহায়ক উইকেট হওয়ার কথা মিরপুরে। সেক্ষেত্রে থাকবে নাথান লায়নকে সামলানোর চ্যালেঞ্জও। দারুণ ফর্মে থাকা এই অজি অফস্পিনারকে সামলাতে অবশ্য পুরোপুরি প্রস্তুত টাইগার দলও।
লায়ন প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান এক সাংবাদিকের প্রশ্নে টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস বলেছেন সেই প্রস্তুতির কথাই, ‘আমার মনে হয়, নাথান লায়ন বিশ্বের অন্যতম সেরা স্পিনার। আমরা তাকে খেলতে প্রস্তুত। দলের সবাই প্রস্তুত। উপমহাদেশের উইকেট স্পিনারদের সহায়ক হয়। আমরা এটা জানি এবং খেলতে প্রস্তুতও।’
অজি এই অফস্পিনারের কথা মাথায় রেখেই চট্টগ্রাম পর্বের অনুশীলন ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল উদীয়মান দুই অফস্পিনার সঞ্জিত সাহা ও নাঈম হাসানকে। সাতদিনের ওই ক্যাম্পে স্থানীয় নেট বোলারদের অধিকাংশও ছিলেন অফস্পিনার। লায়নকে সামলাতে প্রস্তুত থাকারই কথা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের।
স্পিনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণও শক্তিশালী। হ্যাজেলউড, কামিন্স ও বার্ডের মত পেসারদের নিয়ে সফরে এসেছে অজিরা। মাথায় রাখতে হবে তাদের গতি ও বাউন্স সামলানোর বিষয়টিও। ইমরুল অবশ্য বিষয়টা অত কঠিন করে দেখছেন না। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকার পেসারদের সামলানো গেলে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের কেন নয়? আত্মবিশ্বাসী এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের।
‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি সাত-আট বছর হয়ে গেল। সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষেও খেলেছি। তাদেরও পেস আক্রমণ সেরা। তাদের বিপক্ষে যেহেতু খেলতে পেরেছি, আমার মনে হয় সামনেও কোনও সমস্যা হবে না।’

ইমরুলদের আত্মবিশ্বাসের পালে হাওয়া দিচ্ছে ঘরের মাঠে সবশেষ টেস্টে ইংল্যান্ডকে হারানোর অভিজ্ঞতা, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা ভাল খেলেছি, আশা করি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও ভাল কিছু পারব। অস্ট্রেলিয়া নিঃসন্দেহে এ মুহূর্তে সেরা দল; ইংল্যান্ডও ভাল দল ছিল।’
সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে একাদশের সবারই অবদান রাখতে হবে। তবে টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বটাই বেশি বলে মনে করছেন ইমরুল, ‘টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব অবশ্যই অনেক বেশি। প্রথম সেশনটা যারা ব্যাটিং করবে, নতুন বলের সময়টা যদি পার করে দিতে পারি, আমার মনে হয় পরের ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। লম্বা ইনিংস খেলা অনেক সহজ হয়ে যায়। এক থেকে চার পর্যন্ত, যারাই ব্যাটিং করবে তাদের দায়িত্বটা বেশিই।’







