হিমালয়ে ২৩,১১৩ ফুট উঁচু ‘লাকপা রি’ পর্বতশিখর বিজয় করে এসে সেই গল্প শোনালেন বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী। অভিযানের দলনেতা দু’বারের এভারেস্টজয়ী এম এ মুহিত অভিযানের স্লাইড দেখান এবং তার দুই সহ-অভিযাত্রী শায়লা পারভীন ও বাহলুল মজনুকে নিয়ে অভিযানের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।
২৩ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে পতাকা-প্রত্যর্পণ ও সাংবাদিক সম্মেলনে তারা তাদের কৃতিত্বপূর্ণ অভিযানের গল্প বলেন। এই অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব।
তিব্বতে এভারেস্ট-এর উত্তর-পূর্বে ২৩,১১৩ ফুট উঁচু ‘লাকপা রি’ পর্বতশিখর অবস্থিত। বাংলাদেশের পর্বতারোহী দলটি ২৯ এপ্রিল ২০১৮ নেপালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে। ৪ মে নেপালের রসুয়াগাড়ি সীমান্ত পার হয়ে তিব্বতের ক্যারুং ও তিংরি অতিক্রম করে দলটি ৮ মে ২০১৮ বেস-ক্যাম্পে পৌঁছায়। বেস-ক্যাম্পে চার রাত এবং মিডল-ক্যাম্পে এক রাত থেকে দলটি ১৩ মে ২০১৮ প্রায় ২১,০০০ ফুট উচ্চতায় অ্যাডভান্স বেস-ক্যাম্পে যায়। ১৭ মে রাত ২:৩০টায় অ্যাডভান্স বেস-ক্যাম্প থেকে তিন শেরপা গাইডকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী চূড়ান্ত-আরোহণ শুরু করেন। প্রায় ২,০০০ ফুট খাড়া হিমবাহ ও পাথরের দেয়ালে আইস-অ্যাক্স, ক্রাম্পন ও জুমারের সাহায্যে কষ্টসাধ্য আরোহণ শেষে ১৭ মে ২০১৮ তারিখ চীনের সময় বিকাল ৫টায় বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী এম এ মুহিত, বাহলুল মজনু ও শায়লা পারভীন ‘লাকপা রি’ শীর্ষে আরোহণ করেন। ইতিপূর্বে এম এ মুহিত দুই বার এভারেস্ট আরোহণ করেছেন এবং বাহলুল মজনু পাঁচটি ও শায়লা পারভীন একটি ৬,০০০ মিটার পর্বত আরোহণ করেছেন।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের স্পনসর প্যারাগন এগ্রো লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার জনাব মোল্লা মামুন মনোয়ার; আরলা ফুডস্ বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিজিএম জনাব আহমেদ কবির এবং আজিম গ্রুপের জিএম জনাব মোঃ মসিউর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অ্যান্টার্কটিকা ও সুমেরু অভিযাত্রী ইনাম আল হক সাংবাদিক সম্মেলন পরিচালনা করেন।







