মাত্র তিন মিনিটের ছোট এক ঝড় তুললেন ডেলে আলি এবং হ্যারি কেইন। তাতেই কুপোকাত আর্সেনাল। রোববার রাতে গানারদের ২-০ গোলে হারিয়ে লন্ডন ডার্বি জিতে নিল টটেনহ্যাম হটস্পার।
এই জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখল টটেনহ্যাম। ৩৪ ম্যাচে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে তারা। ৪ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে চেলসি। অন্যদিকে উল্টো পথে হাঁটছে আর্সেনাল। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ট স্থানে গানাররা। শঙ্কা জেগেছে শীর্ষ চারে থেকে লিগ শেষ করতে পারা নিয়ে। ভয় আছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বাদ পড়ারও।
হোয়াইট হার্ট লেনে প্রথমার্ধে কোন গোল না পেলেও একের পর এক আক্রমণে গানারদের কোণঠাসা করে রাখে টটেনহ্যাম। হ্যারি কেন, ডেলে আলিদের ভিড়ে সানচেজ, ওজিলদের তেমন খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ম্যাচের ২৭ মিনিটে সান-হিউন পার্কের পাস এরিখসেন বারের ওপর দিয়ে না মারলে তখনই এগিয়ে যেতে পারত স্পাররা।
মধ্যবিরতি থেকে ফিরেই কপাল খুলেছে স্বাগতিকদের। ৫৫ মিনিট থেকে ৫৮ মিনিটে আলি এবং হ্যারি কেনের জাদুতে গানারদের পুড়িয়েছে স্পাররা।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে আর্সেনাল ডিফেন্ডারদের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোলমুখে জোরাল শট নিয়েছিলেন এরিখসেন। গানার গোলরক্ষক পিত্তর চেক প্রথম দফা সেটি ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি শটে গোল করে স্বাগতিক সমর্থকদের আনন্দে ভাসান আলি।
এর মিনিট তিনেক পরেই স্বাগতিকদের পেনাল্টি উপহার দিয়েছেন অতিথিদের গ্যাব্রিয়েল। এরিখসেনকে ডি-বক্সকে ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি। তা থেকে বুলেট গতির শটে পিত্তর চেককে পরাস্ত করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেন।
চলতি লিগে কেইনের গোল হল ২১টি। ২৪ গোল নিয়ে ইপিএল সর্বোচ্চ স্কোরারের তালিকার শীর্ষে আছেন এভারটনের রোমেলু লুকাকু।
টটেনহ্যাম পরে আরও সুযোগ পেয়েছিল ব্যবধান বাড়ানোর। শেষদিকে কেনের মাথা ছুঁয়ে আসা বল পিত্তর চেক লাফিয়ে না ধরতে পারলে ব্যবধান বাড়ত। আর গোল হয়নি। তবে শেষপর্যন্ত হারও ঠেকাতে পারেনি আর্সেন ওয়েঙ্গারের শিষ্যরা।








