ঈদের এখনো বেশ কয়েকদিন বাকি থাকলেও এরইমধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন লঞ্চ ও জাহাজ মালিকরা। যাত্রীদের অভিযোগ থাকলেও নৌ-পুলিশ বলছে কোন অভিযোগ নেই। ঈদ উপলক্ষে বিআইডব্লিউটিসির বিশেষ সার্ভিসের টিকেটও আজ থেকে পাওয়া যাবে মতিঝিলের হেড অফিস ও অন্যান্য কাউন্টারে ।
ঈদের আগে সোনার হরিণ বাস ট্রেন লঞ্চের টিকেট । ঈদের আগের ৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৫ লাখ করে মানুষ ঢাকা ছাড়ে। বিআইডব্লিউটিসির তথ্যমতে, নৌপথে যে পরিমাণ যাত্রী সদরঘাট ছাড়ে তার ৭০ শতাংশই যাতায়াত করে বেসরকারি লঞ্চ অথবা জাহাজে। ফলে ঈদের সময় সরকারি লঞ্চের অপ্রতুলতার কারণে বেসরকারি লঞ্চই ভরসা বেশিরভাগ যাত্রীর। আর এ সুযোগই নিচ্ছেন লঞ্চ মালিকরা।
যাত্রীরা অভিযোগ করেন, টিকিট করার পর তারা বিভিন্ন উপরি দাবি করে, বকশিশ চায়। অনেক যাত্রী আবার ভাড়া বেশি রাখারও অভিযোগ করলেন। আগের চেয়ে ১ ’শ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে বলেন কয়েকজন যাত্রী। আবার কেবিন ভাড়া যেখানে ১২’শ ছিলো এখন তা ২ হাজার হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ যাত্রীদের।
বরাবরের মতই অভিযোগ অস্বীকার লঞ্চ মালিকদের। তারা বলেন সব আগের মতোই আছে। ভাড়াও আগেরটাই আছে।
আশেপাশে থেকেও যেন নেই শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা নৌ-পুলিশ। এত অভিযোগের মাঝেও তাদের বক্তব্য কেউ অভিযোগ করেনি। নৌ-পুলিশের এসপি তোফাজ্জল হোসেন জানান, তার কাছে কোনো যাত্রী অভিযোগ নিয়ে আসেননি। অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নৌপথে দুএকটি আধুনিক নতুন জাহাজ যুক্ত হলেও যাত্রী পরিবহণে সরকারী সংস্থা বিআইডব্লিউটিসির যে স্টিমার রয়েছে সেগুলোর বেশিরভাগই ৮০ থেকে ৯০ বছর পুরোনো। বেশ কিছু স্টিমার রয়েছে যা কেবলমাত্র ঈদের আগে মেরামত করে চলাচল উপযোগী করা হয়।
মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও বিআইডব্লিউটিসি বলছে টিকেটের দাম কম হওয়ায় যাত্রীরা এসব পুরোনো স্টিমারকেই পছন্দ করেন।
বরাবরের মত এবারও এমভি মধুমতি, এমভি বাঙ্গালীর মত আধুনিক জাহাজের পাশাপাশি মেরামত করা লঞ্চ স্টিমার নিয়ে ১৪ জুলাই থেকে ঈদের বিশেষ সার্ভিস দেবে বিআইডব্লিউটিসি। বিআইডব্লিউটিসির টার্মিনালগুলো থেকে শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেনীর টিকেট পাওয়া যাবে। এর আগে থেকেই অনলাইনে টিকেট বিক্রি শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিসি।






