জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে বাংলাদেশের জন্য সুখবর হয়ে এলো স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যে স্বাধীনতা সেই স্বাধীন বাংলাদেশে তার কন্যা শেখ হাসিনার শাসনামলে স্বাধীনতার মাসে এ প্রাপ্তি অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট অর্জন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখন ৭ দশমিক ২১ শতাংশ; যা গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। বেশ কয়েক বছর ধরেই জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমন্বিত বৃদ্ধির ফলে দারিদ্র্য হার এবং লিঙ্গ বৈষম্য কমেছে। ১৯৯১ সালে চরম দারিদ্র সীমার নিচে বাস করতো ৪০ শতাংশের বেশি মানুষ। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে এখন চরম দারিদ্র ১৪ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তবে এসব স্বীকৃতিতে আত্মতৃপ্ত না হয়ে চরম দারিদ্র সীমার নিচে বাস করা মানুষসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে আরও মনোযোগী হতে হবে। কারণ, দেশের দ্রুত উন্নয়নের ফলাফল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো না গেলে প্রবৃদ্ধির এই অর্জন কাজে আসবে না। উন্নয়নশীল দেশের এই স্বীকৃতি সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আমরা মনে করি। এই অর্জনগুলো ধরে রাখার পাশাপাশি শিগগিরই নতুন করে এগিয়ে যেতে হবে মধ্যম আয় এবং পরবর্তীতে উন্নত দেশের স্বীকৃতি অর্জনের পথে। এই সম্মানজনক স্বীকৃতির অর্জনে কাজ করা সকলকে আমরা অভিনন্দন জানাই।







