গাছ থেকে সুপারি সংগ্রহ, ভিজিয়ে রাখা এবং বাজারজাত করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে লক্ষীপুরের কৃষক। লাভজনক ও অর্থকরী পণ্য হওয়ায় সুপারি উৎপাদনে দিনে দিনে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সুপারি সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। কৃষি বিভাগের হিসেবে এ বছর জেলায় উৎপাদিত সুপারির অর্থমূল্য দাঁড়াবে তিনশ’ কোটি টাকা।
কৃষক জানান, এবারে সুপারির ভালো ফলন হয়েছে। তবে দাম কিছুটা কম। বাজারে প্রতিপণ অর্থ্যাৎ ২০ গন্ডা সুপারি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ১১০ টাকায়। শুকনো সুপারির কেজি ২২০ থেকে ৩০০ টাকা।
উৎপাদিত সুপারি বিক্রির জন্য এলাকায় শতাধিক হাট বসছে। ব্যবসায়ীরা সুপারি পাঠাচ্ছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এ বছর লক্ষীপুর সদর রায়পুর রামগঞ্জ কমলনগর রামগতিসহ পাঁচ উপজেলায় সুপারি বাগান রয়েছে ছয় হাজার ২শ’ ৬৫ হেক্টর জমিতে।
লক্ষীপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, সুপারির চাষ দিন দিন কৃষকদের নিকট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কৃষকরা এখন আধুনিক পদ্ধতিতে সার ও বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সুপারি চাষ করে। তবে লক্ষীপুরে সুপারির প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র নেই, যদি থাকত তবে সুপারি রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যেতো এবং কৃষকরা সুপারির ন্যায্য মূল্য পেত।
সুপারির প্রক্রিয়াজাত কারখানা গড়ে তোলা হলে আরো বেশি লাভ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে কৃষক।







