নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে র্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার দাবি করেছে র্যাব।
সোমবার ভোররাতে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ২ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় র্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে গুলিসহ একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব।
র্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারি পরিচালক আলেপ উদ্দিন জানান, ভোররাতে আলীরটেক এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে দুর্ধর্ষ নৌ-ডাকাত জিল্লুর বাহিনী একটি জাহাজে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।
একপর্যায়ে ডাকাত সর্দার জিল্লুরসহ দুই ডাকাত গুলিবিদ্ধ হলে অন্যান্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ দুই ডাকাতকে গুরুতর অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরেকটি ঘটনায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে সোমবার ভোরে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কালু ডাকাত (৪২) নামে এক ভূমিদস্যু নিহত হয়েছে।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ১৩টি দেশীয় অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি ও রকেট ফ্লেয়ার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৭।
নিহত কালুকে সীতাকুণ্ডের শীর্ষ ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী দাবী করে র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারি পরিচালক মিমতানুর রহমান বলেছেন, তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরী ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় খুন, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ৭টি মামলা রয়েছে।
মিমতানুর রহমান জানান, রোববার রাতে কালুকে আটকের জন্য জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালালে তার বাহিনীর সদস্যরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। র্যাবও আত্মরক্ষার জন্য জন্য গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পাহাড়ের ভেতরের এলাকায় পালিয়ে যায়।
পরে র্যাব ঘটনাস্থল থেকে কালু ডাকাতের লাশ ও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করে।








