শনিবার বৃষ্টি ভেস্তে দিয়েছিল অনেক কিছুই। প্রথম ইনিংসে ব্যাট ধরে মাত্র ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল ভারত। সংকটে দলকে টেনে তুলেছিলেন রোহিত শর্মা এবং আজিঙ্কা রাহানে। কিন্তু সেঞ্চুরির এক্কেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছেও বৃষ্টির জন্য থেমে যেতে হয়েছিল রোহিতকে। সেই রোহিতই প্রথমদিনে দাপটের সঙ্গে সেঞ্চুরির রাজা হয়ে দ্বিতীয়দিনে তুলে নেন ডাবল সেঞ্চুরি।
তাতে ৯ উইকেটে ৪৯৭ তুলে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। জবাবে স্কোরবোর্ডে ৯ রান জমা হতেই দুই ওপেনারকে হারিয়েছে সাউথ আফ্রিকা।
তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম থেকেই নেতৃত্বের জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারত। রাহানের ব্যাট থেকে যেখানে সেঞ্চুরি আসে, ঠিক সেখানেই ডাবল সেঞ্চুরি করেন রোহিত। তবে দুজনেই আউট হয়ে যান তার পরপরই। ২৫৫ বল খেলে ২১২ রান করেন রোহিত। কাগিসো রাবাদার বলে এনগিদিকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।
একদিনের ম্যাচে তিন ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে রোহিতের। কিন্তু টেস্টে ছিল না। এই প্রথমবার দ্বিশতরান করলেন হিটম্যান। শচীন টেন্ডুলকার এবং বীরেন্দ্র শেবাগের পর তৃতীয় ভারতীয় হিসেবে টেস্ট ও ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হয়ে গেলেন তাতে।
অন্যদিকে ১৯২ বলে ১১৫ রান করে লিন্ডের বলে আউট হন রাহানে। প্রথম সেশনেই তিনি সেঞ্চুরি তুলে ফেলেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের এগারোতম সেঞ্চুরিতে রাহানের ইনিংস সাজানো ছিল ১৭টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। তিনি ফেরেন জর্জ লিন্ডের বলে ক্লাসেনকে ক্যাচ দিয়ে।
অর্ধশতরান করে সাজঘরে ফেরেন রবীন্দ্র জাদেজা (৫১)। আবার পাঁচটি ছক্কা মেরে ৩১ রান করেন উমেশ যাদব।
দ্বিতীয় টেস্টের পর রাঁচিতেও কি সাউথ আফ্রিকাকে ফলোঅনে ফেলবেন বিরাট কোহলি? কারণ যেভাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেই মুখ থুবড়ে পড়েছেন কুইন্টন ডি ককরা, তাতে অশনি সংকেত দেখছে প্রোটিয়ারা।
রাবাদা ৩ ও লিন্ডেরা ৪ উইকেট নিয়ে ভারতকে বেগ দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেন ঠিকই, কিন্তু রোহিত-রাহানেরা ভারতকে যে শিখরে পৌঁছে দিয়েছেন, তাতে প্রোটিয়াদের জয়ের রাস্তা অত্যন্ত কঠিন।
বিশেষ করে ব্যাট হাতে শুরুতেই ডি কক ও এলগার আউট হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও করুণ। একটি করে উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সামি এবং উমেশ যাদব। দিনের শেষে ক্রিজে থাকা জুবায়ের হামজা এবং ফ্যাফ ডু প্লেসিসও যথেষ্ট চাপে।








