প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশ সফররত চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংই জানিয়েছেন: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে সংলাপে সহযোগিতা করতে আগ্রহী চীন।
গণভবনে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রথানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন: রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আমরা বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে সংলাপে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। অথচ এটা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, যা বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর (বিসিআইএম-ইসি) সম্পর্কে আলাপকালে ওয়াংই বলেন: রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে চার জাতির উদ্যোগের গতি মন্থর হোক তা চীন চায় না।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির ওপর চাপ বৃদ্ধির জন্য চীনসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানান।
তিনি বলেন: এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য মিয়ানমারকে তার দেশের নাগরিকদের নিরাপদে, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরিয়ে নিতে হবে। মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের ভাল সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা তাদের লোক এবং তাদেরকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
রোহিঙ্গাদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন: বাংলাদেশ তাদের মানবিক বিবেচনায় আশ্রয় দিয়েছে। প্রতিবেশি দেশগুলোতে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চালানোর জন্য কাউকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়া আমাদের সিদ্ধান্ত।







