সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে চলমান রোহিঙ্গা নির্যাতনে উদ্বেগ জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: মিয়ানমারে যেটা হচ্ছে সেটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনু্প্রবেশের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন- পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে, তা মোকাবেলা করার মতো অবস্থা আমাদের নাই।
আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মাসিক সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন: বর্তমানে যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবেলা করা কঠিন। কক্সবাজারে এমনিতেই মানুষের ঠাই নাই। তার ওপর রোহিঙ্গা! আমরা আশংকা করছি, এতে করে ওই অঞ্চলে সামাজিক অচলবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ষড়যন্ত্র মূলক রাজনীতি থাকতে পারে বলে আশংকা করেন আওয়ামী লীগের এ নেতা।
মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন: কফি আনান কমিশন যে প্রস্তাবগুলো রেখেছে, সে প্রস্তাব অনুযায়ী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধাণ করুন। আর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনু্প্রবেশ করেছে তাদের ফিরিয়ে নিন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সীমান্ত খুলে দেওয়ার যে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, তার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন: দেশ যখন বন্যায় আক্রান্ত, টেমস নদীর পাড়ে বসে খালেদা জিয়া বিবৃতি দিচ্ছেন। দেশপ্রেমিক একজন রাজনীতিবীদের ক্ষেত্রে এটা বড়ই অশোভন।
সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন: দেশের বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে আছে। আমরা ধারণা করেছিলাম, উত্তরাঞ্চলের পর মধ্যাঞ্চলও বন্যা আক্রান্ত হবে। কিন্তু, সে শংকা এখন আর নেই বলেই আমরা মনে করছি।
তবে, সামনে কোরবানি ঈদ। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঈদের আনন্দ এবার আমরা বন্যার্তদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেবো। এবং যতক্ষণ বন্যা শেষে, পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ না হবে, আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতা-কর্মী দুর্গতদের পাশে থাকবে।
এছাড়া, চীনা কমিউনিষ্ট পার্টির আমন্ত্রণে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল ১৯ সেপ্টেম্বর চীন সফর করবে বলে জানান তিনি। কর্নেল ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীন অবস্থান করবে।







