চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে গিয়ে যা দেখলাম, যা শুনলাম (শেষ পর্ব)

চিররঞ্জন সরকার চিররঞ্জন সরকার
১০:০৫ অপরাহ্ণ ২০, অক্টোবর ২০১৭
মতামত
A A
-4 Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

রোহিঙ্গারা পুরাই ধর্মভীরু ও সংস্কারপ্রবণ। তাদের মেয়েরা ঘরের বাইরে বের হয় না। ঘরের কাজ আর বাচ্চা লালনপালন করে জীবন-ধারণ করা তাদের অভ্যাস। মেয়েদের অনেকে ৫ম বা ৬ষ্ঠ শ্রেণি পাশ। কিন্তু তারা সেটা স্বীকার করে না। অনেক এনজিও তাদের কাছে চাকরির প্রস্তাব (তাদেরই শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা) নিয়ে গেলেও তারা প্রত্যাখ্যান করছে।

তারা কেন লেখা পড়া করেনি-এ প্রশ্ন করলে তারা জানায়, মিয়ানমারে মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুলে তাদের ফেল করিয়ে দেয়া হতো। ফলে তারা এইট-নাইনের বেশি পড়ালেখা করেনি। আর এই পড়ালেখায় তাদের কোনো চাকরি জুটতো না। কোনো লাভ না পেয়ে তারা পড়ালেখায় আগ্রহী হয়নি।

এক প্রবীণ ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনারা তো রাখাইনে মেয়েদের ঘরে বাইরে যেতে দিতেন না। এখানে যে ত্রাণ আনতে পাঠাচ্ছেন। ভদ্রলোক বাংলা জানে। এর আগে নাকি টেকনাফে মাছের পোনার ব্যবসা করেছে। তার উত্তর: তোমাগো কারণেই তো মহিলাদের ত্রাণ আনতে পাঠাই। পুরুষরা যদি ত্রাণ আনতে যায়, তাহলে ৬/৭ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। আর মহিলা গেলেই সবাই কয়, এই মহিলা আইছে, আগে দেও, আগে দেও! মহিলাগো পাঠাইলে ত্রাণ আনতে সময় লাগে দেড় দুই-ঘণ্টা! এ কারণে ত্রাণসংগ্রহের কাজে নারী ও শিশুর অংশগ্রহণ বেশি।

ভদ্রলোকের কথায় পুরুষতন্ত্রের সুবিধাবাদী রূপটা পরিস্কারভাবে ফুটে উঠল। ধর্ম ও সংস্কারের দোহাই দিয়ে নারীদের ঘরের কোণে আবদ্ধ করে রাখে। কিন্তু যখন সুবিধা দেখে তখন পুরুষ-পরিবেষ্টিত ত্রাণকেন্দ্রেও নারীদের ঠেলে দিতে দ্বিধাবোধ করে না। এতে করে নারীদের ওপর ডাবল-ট্রিপল কাজের বোঝা চাপছে। তারা ত্রাণ সংগ্রহ করছে। বাসায় এসে রান্না-বান্না করছে। আবার বাচ্চাদের যত্ন নেওয়ার কাজটিও করছে।

স্বাস্থ্য-পুষ্টি এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে তাদের সচেতনতা নেই বললেই চলে। ঘরে পাটি বা মাদুর থাকলেও অনেক বাচ্চাকে মাটিতে শুইয়ে রাখা হয়েছে। শিশুদের কাপড় থাকলেও তারা ন্যাংটো হয়েও ঘুরে বেড়াচ্ছে। ত্রাণ হিসেবে সাবান পেলেও তারা তা ব্যবহার করে না। স্যান্ডেল থাকলেও পরে না। তারা পায়খানায় যাচ্ছে খালি পায়ে। খাবার আগে এবং পায়খানার পর সাবান দিয়ে যে হাত ধুতে হয়, সেই সচেতনতা ও অভ্যাস তাদের নেই। কেবল গোসলের সময় তাদের সাবান ব্যবহার করতে দেখা গেছে।রোহিঙ্গা-মিয়ানমার-যুক্তরাষ্ট্র-রেক্স টিলারসন

বিভিন্ন সংস্থা থেকে আলাদা আলাদা ভাবে ক্যাম্পগুলোতে স্বাস্থ্য-সেবা দেয়া হচ্ছে। আমার লক্ষ করেছি শিশুরা দল বেধে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে গিয়ে ভিটামিন ও কলেরার ওরাল ওষুধ খাচ্ছে। এটা তাদের একটা আনন্দ। একই শিশু বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে গিয়ে ওরাল ওষুধ খাওয়ায় ‘ওভারডোজ’ হচ্ছে কিনা, এটা দেখার কেউ নেই।

Reneta

বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয়গ্রহণকারীরা সব কিছু একটু বাড়িয়ে বলতে অভ্যস্ত। তারা করুণা জাগাতে নানা ছলের আশ্রয় নেন। আমরা প্রায় শতাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি। এর মধ্যে একজনকেও পাওয়া যায়নি যারা মিয়ানমারে স্বজন হারিয়েছেন। কিন্তু প্রত্যেকেই বলেছেন, আমাদের পাশের গ্রামের শত শত ব্যক্তিকে আর্মিরা গুলি করে মেরেছে। মিয়ানমারে সেনারা রোহিঙ্গাদের হত্যা করেছে এটা যেমন সত্য, আবার যে পরিমাণে হত্যাকান্ড হয়েছে বলে রোহিঙ্গারা দাবি করছেন, সেটার সত্যতা তেমনভাবে মেলেনি।
সবাই দাবি করেছে, তারা খালি হাত-পায়ে এদেশে এসেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ তাবুর সামনে সোলার প্যানেল দেখা গেছে। আমরা যখন প্রশ্ন করেছি, এগুলো কোথায় পেয়েছেন? তখন তারা বলেছে, বার্মা থেকে পালিয়ে আসার সময় শুধু এটাই নিয়ে আসতে পেরেছে!

বিভিন্ন ক্যাম্প ঘুরে দেখা গেছে তাদের বেশিরভাগের কাছেই মোবাইল ফোন আছে। তারা প্রায় প্রত্যেকেই অবৈধভাবে সিম সংগ্রহ করেছে। তারা বাংলাদেশে বিভিন্ন দোকান থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় এই সিম সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন যে, তারা এখানে আসার পর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে অন্যদের আসতে উৎসাহিত করেছেন। কারণ এখানকার মানুষের ব্যবহার ভালো। খাবার ব্যবস্থা আছে। থাকার নিশ্চয়তা আছে।

বিভিন্ন ক্যাম্পে শিশু ও তরুণদের দেদারসে বিভিন্ন এনার্জি ড্রিংকস খেতে দেখা গেছে। এগুলো কেনার টাকা কোথায় পেয়েছে বা পাচ্ছে, এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তারা দিতে পারছে না! যে সব আশ্রয় শিবির রাস্তার ধারে, সেখানে ত্রাণ ও অন্যান্য জিনিস বেশি পৌঁছাচ্ছে। যারা একটু দূরে বা বা পাহাড়ের ওপরে আছেন তারা সহায্য কম পাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে সহজগম্য স্থানগুলোতে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান পায়খানা ও টিউবওয়েল স্থাপন করেছে। কিন্তু দুর্গম এলাকাগুলোতে পায়খানা ও টিউবওয়েলের সংখ্যা একেবারেই অপ্রতুল।

বিভিন্ন আশ্রয় শিবির পরিদর্শনের পর আমার কাছে মনে হয়েছে, সেখানে এনজিও-আইএনজিওর কাজের আরও বেশি সমন্বয় প্রয়োজন। অনেকেই অনেক সেবা দিচ্ছে। কিন্তু সব জায়গায় সব সেবা নেই। এ ব্যাপারে ম্যাপিং প্রয়োজন। অনেক জায়গায় লেট্রিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ভরাট হওয়া লেট্রিনগুলো পরিস্কার করার ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ প্রয়োজন।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আরও বেশি শিশুশিক্ষা, বিনোদন, যত্নকেন্দ্র স্থাপন করা দরকার। শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি আছে। অনেক শিশুই দেখেছি, যাদের পেট ফোলা। পেটে কৃমির বাস। কৃমি-নিরোধক ওষুধ ও শিশুপুষ্টির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা, ত্রাণ নিতে যাওয়া মায়েদের জন্য শিশু শিক্ষা, বিনোদন, যত্নকেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজনীয় কাজ হতে পারে। এসব কেন্দ্র পরিচালনায় কমিউনিটির মেয়েদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

মেয়েরা ঘরে বসে করতে পারে এমন কাজের প্রশিক্ষণ (কাথা সেলাই, দর্জির কাজ) প্রদান করা যেতে পারে। পুরুষদের জন্য নির্মাণ শ্রমিক, পশুপালন, ব্যবসার জন্য ক্ষুদ্রঋণ ইত্যাদির ব্যবস্থা করা যেতে পারে।-4 Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিচ্ছন্নতা, পরিবার পরিকল্পনা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, শিশু প্রতিপালন ও পরিচর্যা ইত্যাদি বিষয়ে তাদের সচেতন করে তোলা দরকার। এ ব্যাপারে গ্রুপ গঠন করে সচেতনতা বাড়ানো যেতে পারে। নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট ও গোসলের ব্যবস্থা করা, গর্ভবতী নারীদের বাড়িতে চিকিৎসা প্রদানের সুযোগ, জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহী করা এবং বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

সেখান যুবকরা যেন মাদক ও সমাজবিরোধী কাজে যুক্ত না হয় এবং মৌলবাদীদের অপতৎপরতা কেউ চালাতে না পারে এ ব্যাপারে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করাও জরুরি।
মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রক্রিয়ায় প্রত্যেক রোহিঙ্গার নাম, ঠিকানা, আঙ্গুলের ছাপ ও ছবিসহ তাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার কথা। তাদের প্রত্যেককে নিবন্ধন করে পরিচয়পত্র প্রদান করার কথা।

কিন্তু এই জরুরি কাজটি মোটেও এগোচ্ছে না। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চালু করা রোহিঙ্গাবিষয়ক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, বয়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করার জন্য ১৭ টি পয়েন্ট সনাক্ত করা হয়েছে। নিবন্ধনের কাজ ভালোভাবে চলছে। কিন্তু বাস্তবে অত্যন্ত ধীর গতিতে চলছে কাজটি। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলেও এ পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছেন মাত্র ৬০ হাজার রোহিঙ্গা। টেকনাফের এক সাংবাদিকের মতে, এ প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন চললে এ কাজ শেষ হতে আরও অন্তত তিন বছর সময় লাগবে।

নিবন্ধন কেন্দ্র আরও বাড়ানো, কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মী নিয়োগ, রোহিঙ্গাদের ভাষা বোঝে এমন দোভাষীর সহায়তায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, এসব বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিলেই কেবল নিবন্ধন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া সম্ভব। তবে রোহিঙ্গাদের অনেকেই নিবন্ধনের ব্যাপারে অনাগ্রহী। নিবন্ধিত হলে বিভিন্ন স্থান থেকে ত্রাণ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্তি যদি কমে যায়, তাই তারা তারা নিবন্ধিত হতে চায় না। আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা জানেই না যে নিবন্ধিত হবে।

আবার অনেক বলেছে, তারা নিবন্ধিত হয়েছে। মাওলানাদের একটি গ্রুপ তাদের নিবন্ধন করিয়েছে। এই মাওলানারা তাদের নিয়মিত খোঁজ-খবর নেয়। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের কেউ কেউ বলেছেন, এরা জামায়াতসহ বিভিন্ন মৌলবাদী দলের সদস্য। তারা ইতিমধ্যেই রোহিঙ্গাদের মধ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগের।

স্থানীয় সাংবাদিকদের মতে, মানবতার সুযোগ নিয়ে রোহিঙ্গারা নেশাদ্রব্য নিয়ে ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশের সীমানায়। সীমান্তে শিথিলতার সুযোগে তারা অবাধে প্রবেশ করছে। তাদের অনেকের কাছেই অপরিমেয় ইয়াবা আছে। দেশীয় এক শ্রেণির দালাল-ব্যবসায়ীর মাধ্যমে তারা ইয়াবা কেনা-বেচা করছে। এ ব্যাপারে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকে বিশেষ তৎপর হতে হবে।রোহিঙ্গা

এইডস আক্রান্ত হয়েছে এমন অনেকেই আছে এই বিশাল রিফিউজি বহরে। তাদের সনাক্ত করা দরকার। নারীদের অনেকেই ইতিমধ্যে সন্তান প্রসব করেছেন বাংলাদেশে এসে, অনেকে প্রসবের অপেক্ষায় আছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি তো আছেই! সব মিলিয়ে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোকে ঘিরে সরকারের একটা দ্রুত সুচিন্তিত ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা দরকার।

কক্সবাজারের এক মাঝারি মানের হোটেলের মালিকের সঙ্গে কথা হলো। তিনি তার উদ্বেগ ও হতাশার কথা জানালেন। তার মতে, রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজার ও পার্বত্যাঞ্চলে পর্যটন খাত ঝুঁকিতে পড়বে। বড় বড় হোটেলগুলোতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কাজ করতে আসা সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা অবস্থান করায় তাদের খুব একটা ক্ষতি হচ্ছে না। কিন্তু মাঝারি ও ছোট হোটেলগুলো রয়েছে লোকসান ঝুঁকির মুখে। কক্সবাজারসহ আশপাশের এলাকায় পর্যটকরা ভয়ে আসতে চাচ্ছে না। পর্যটন ইতিমধ্যে কমে গেছে। রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের এক সিনিয়র সাংবাদিকের মুখে ঝরে পড়ল সীমাহীন ক্ষোভ। তার মতে, এই রোহিঙ্গাদের জিন্দেগিতেও ফেরত পাঠানো যাবে না। সরকার যাই বলুক, এরা কিয়ামত তক থেকে থাবে। প্রথম প্রথম অনেকেই দরদ ও মানবিকতা দেখাচ্ছেন। কিন্তু কিঝুদিন গেলেই বিপদ টের পাওয়া যাবে। আন্তর্জাতিক ত্রাণসরবরাহ কমে গেলে এরা স্রেফ বোঝায় পরিণত হবে।

দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘায়িত হবে নেতিবাচক প্রভাব। কেননা রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারলে তারা জীবিকার তাগিদে নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়বে। এমনিতে কক্সবাজার এলাকায় আমাদের কাজের সুযোগ কম। এছাড়া পর্যটন এলাকা হিসেবে কক্সবাজার ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে উঠলে পর্যটনের বৈশিষ্ট্য হারাবে। ফলে সেখান থেকে পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নেবেন। যা আমাদের পর্যটন খাতে বিপর্যয় বয়ে আনবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জাতীয় অর্থনীতি। সেখানখার পরিবেশও ও ভারসাম্য হারিয়ে ফেলবে।রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া পরিবার. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

শুধু তাই নয় কক্সবাজার এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। কর্মসংস্থান না হলে জীবিকার তাগিদে এসব রোহিঙ্গা নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বেন। এতে কক্সবাজারসহ সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম মনে করেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবেন। রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে বাড়বে অপরাধ কর্মকাণ্ড। কারণ, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আরাকান আর্মি সৃষ্টি করেছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।

বাংলাদেশে অতীতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জঙ্গি জামায়াত-শিবির পৃষ্ঠপোষকতা করে। আরাকান আর্মির সঙ্গেও জামায়াতের গোপন যোগাযোগ আছে। তাই রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে পাকিস্তান ও জামায়াত-শিবিরের যে কোনো ষড়যন্ত্র হতে পারে।

এ ষড়যন্ত্র থেকে বাংলাদেশকে সাবধান থাকতে হবে বলে মনে করেন এই বরেণ্য অর্থনীতিবিদ। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অনেকেই। কিন্তু এই উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা আর ভয়কে কীভাবে জয় করা যাবে, তা কেউ-ই বলতে পারছেন না। আমরাও না!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: রোহিঙ্গারোহিঙ্গা ইস্যুরোহিঙ্গা সংকট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে অশ্রুসিক্ত মেসি

জুলাই ২০, ২০২৬

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে নজর কেড়েছেন লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই

জুলাই ২০, ২০২৬

বেলজিয়ামের দায়িত্ব ছাড়ছেন রুডি গার্সিয়া

জুলাই ২০, ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালে বিশৃঙ্খলা: আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু ফিফার

জুলাই ২০, ২০২৬

যমুনায় রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা

জুলাই ২০, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT