ওল্ড ট্র্যাফোর্ড মানেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কাছে অন্যকিছু। আবার রোনালদো মানে বিশেষকিছু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকদের কাছেও। দুই পক্ষ এখন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। ৯ বছর আগে ম্যানইউ ছাড়লেও পর্তুগিজ তারকাকে নিয়ে এখনও একইরকম আবেগপ্রবণ রেড ডেভিল সমর্থকরা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য ম্যানচেস্টারে পৌঁছানোর পরে কেউ তার সঙ্গে ছবি তোলে, কেউ অটোগ্রাফ নেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। রোনালদো নিজেও ভাসেন আবেগে।
তবে মঙ্গলবার রাতে রোনালদোর জুভেন্টাসের কাছে পাত্তাই পায়নি ম্যানইউ। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সিআর সেভেনের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে তার সাহায্যেই নায়ক হয়ে যান পাওলো দিবালা। পর্তুগিজ স্ট্রাইকারের পাস থেকে গোল করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। জুভরা আধিপত্যের ম্যাচে অবশ্য জয়ে পেয়েছে ১-০ গোলের ব্যবধানে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এ নিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেল জুভেন্টাস।
প্রথমার্ধের অর্ধেক সময় বলতে গেলে বলই পায়নি স্বাগতিকরা। হোসে মরিনহোর শিষ্যরা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের পা থেকে বল কেড়ে নিতেই হিমশিম খেয়েছেন। এরসঙ্গে রোনালদো-দিবালাদের আক্রমণ রুখতেই ব্যস্ত ছিল ম্যানইউ রক্ষণ।
ম্যাচের শুরুতে গোলের সুযোগ পেয়েছিল জুভেন্টাস। নবম মিনিটে রোনালদোর পাস থেকে দিবালার শট ম্যানইউর গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়া আটকে দেন। তবে শেষ রক্ষা আর হয়নি। ১৭ মিনিটে গোল করেন দিবালা। রোনালদোর বাড়ানো ক্রস ফাঁকায় জায়গা করে নেয়া দিবালার কাছে পাঠান কুয়ার্দ্রাদো। সেই বল থেকে গোল করতে ভুল করেননি আগের ম্যাচে ইয়ং বয়েজের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করা দিবালা। চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই ম্যাচে এ নিয়ে করলেন চার গোল।
দিবালার গোলেই ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যানইউ খেলায় ফেরার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও গোলের দেখা পায়নি।
ম্যাচে জুভেন্টাসের আধিপত্য কতটা ছিল তা পরিসংখ্যান দেখলে অনুমান করা যায়। ম্যানউইর গোলমুখে জুভরা শট নিয়েছে ১৪টি আর ইংলিশদের গোলমুখে শট ছিল মাত্র ৬টি। ম্যাচের প্রায় ৬০ শতাংশ সময়েই জুভদের দখলে বল ছিল।








