ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারের জন্য মনোনীত তিন প্রার্থীর মধ্যে থাকা সত্ত্বেও মিলানের ঝলমলে অনুষ্ঠানে যাননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। যা বিশ্ব ফুটবলের পরিচালনা কমিটিকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে।
তারকাদের ভিড়ে রোনালদো থাকার প্রতিশ্রুতি সোমবার বিকেলেও দিয়েছিলেন ফিফার কর্মীরা। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে রোনালদোর অনুপস্থিতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং ইঙ্গিত পাওয়া যায় তাকে টপকে লিওনেল মেসি ও ফন ডাইক পুরস্কারে এগিয়ে আছেন।
মিলান থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে থাকেন রোনালদো। এই বাস্তবতা বিচারে অনুষ্ঠানে তার না থাকা আরও বেশি প্রশ্ন তুলেছে।
শুধু তাই নয়, অনুষ্ঠানে না গিয়ে ঘরে বসে ইনস্টাগ্রামে রোনালদো নিজের ছবি পোস্ট করেন এবং তাতে ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলেন। সিআর সেভেন বলেছেন, ‘ধৈর্য আর অধ্যবসায় হচ্ছে দুটি জিনিস, যেগুলো পেশাদারকে অপেশাদারের থেকে আলাদা করে। কারও একার পক্ষে সবকিছু করা হয়তো সম্ভব নয়, কিন্তু নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে যা যা দরকার সেগুলো করতেই হবে। এখন যেটি অনেক বড়, সেটি শুরুতে কিন্তু ছোটই ছিল। মনে রাখবেন, রাতের পর সব সময়ই দিন আসে।’
অনুষ্ঠানে ফিফার সেরা একাদশ ঘোষণার সময় এলে স্পষ্ট হয়ে যায় রোনালদো উপস্থিত হবেন না। ফিফা ‘নীরবে’ একহাত নেয়। সেরা দলে জায়গা পাওয়া সত্ত্বেও তারা রোনালদোর নামটি পড়েনি।
ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো রোনালদোর অনুপস্থিতিতে নিজের অপছন্দের কথা কোনোভাবেই গোপন রাখেননি। তিনি স্পষ্টভাবেই মেসিকে পুরস্কারের যোগ্য বলেন।
ফিফা বর্ষসেরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রোনালদোর ‘না আসা’ অবশ্য এটাই প্রথম নয়। গত বছরও তিনি এতে অংশ নেননি। গত মৌসুমে সিরি ‘আ’তে ম্যাচ থাকার বিষয়কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন জুভেন্টাসের তৎকালীন কোচ ম্যাস্সিমিলিয়ানো অ্যাল্লেগ্রি। গত বছর পুরস্কার জিতেছিলেন রিয়ালে রোনালদোর সাবেক সতীর্থ ও ক্রোয়েশিয়া তারকা লুকা মদ্রিচ।







