চোটের কারণে ছিলেন না গ্যারেথ বেল। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নিয়মিত গোলরক্ষক কেইলর নাভাসকেও বিশ্রামে রাখা হয়েছিল। তারপরও গ্রানাডাকে হারাতে কোন বেগ পেতে হল না রিয়াল মাদ্রিদকে। চলতি মৌসুম শেষে অবনমন হতে যাওয়া দলটিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে জিনেদিন জিদানের দল।
প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথমার্ধেই হওয়া চার গোলের দুটি করে হামেস রদ্রিগেজ ও আলভারো মোরাতার।
রাতের আগের ম্যাচে ন্যু ক্যাম্পে মেসির জোড়া ও নেইমার-সুয়ারেজের গোলে ভিয়ারিয়ালকে ৪-১ গোলে হারিয়ে টেবিলে ব্যবধান বাড়িয়েছিল বার্সেলোনা। সেটি আবার সমতায় আনল রিয়াল। লুইস এনরিকের দলের পয়েন্ট এখন ৩৬ ম্যাচে ৮৪। এক ম্যাচ কম খেলে সমান ৮৪ পয়েন্ট নিয়ে গোলপার্থক্যে পিছিয়ে রিয়াল দুইয়েই থাকল। লিগে নিজেদের বাকি তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট পেলেই ২০১২ সালের পর আবারো লা লিগা জয়ের উৎসবে মাতবে বার্নাব্যুর দলটি।
বেল-রোনালদো-নাভাসের না থাকার ম্যাচে করিম বেনজেমা, টনি ক্রুস, মার্সেলোও প্রথম একাদশে ছিলেন না। গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বসিয়ে একাদশ সাজানোর রাতে শুরুটা দুর্দান্তই ছিল রিয়ালে।
ম্যাচের তিন মিনিটেই প্রথম এগিয়ে যায় রিয়াল। লুকাস ভাসকেজের ডান দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে আলতো করে পা ছুঁয়ে জাল খুঁজে নেন রদ্রিগেজ। পরে ১১ মিনিটের সময় নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই কলম্বিয়ান। ফ্যাবিও কোয়েন্ত্রাওর ক্রসে বল পেয়ে তাতে মাথা ছুঁইয়ে সেটি জালে জড়ান তিনি।

পরের গোল দুটি মোরাতার। এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকার ৩০ মিনিটে দানিলোর কাটব্যাকে বল পেয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন। পরে একক নৈপুণ্যে ৩৫ মিনিটের সময় দ্বিতীয় গোলটি করেন বক্সের মধ্য থেকে কোনাকুনি এক শটে।
মধ্যবিরতির আগে আরো সহজ দুটি গোলের সুযোগ নষ্ট করে অতিথিরা। প্রথমে ভাসকেজের কোনাকুনি শট ক্রসবার দুর্ভাগ্যে কাটা পড়ে, পরে জাল খুঁজে নিতে ব্যর্থ হন কাসেমিরো। দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিটে দানিলোর শটও পোস্টে লাগে। ম্যাচের বাকি সময়েও সহজ সুযোগ হাতছাড়ার মহড়া জারি রেখে ওই ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল।







