সুজাতা। বাংলা চলচ্চিত্রে গত শতকে ষাট ও সত্তর দশকের পর্দা কাঁপানো নায়িকা। শুধু তা-ই নয়, তিনি একাধারে অভিনয় করেছেন মঞ্চ, নাটক, যাত্রা এবং রেডিওতে। আজ তার জন্মদিন। এসেছিলেন চ্যানেল আইয়ের ‘তারকা কথন’ অনুষ্ঠানে। চ্যানেল আই ভবনে বসে তিনি কথা বললেন চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে।
শুভ জন্মদিন।
ধন্যবাদ
কেমন আছেন?
ভালো আছি। জন্মদিনের কারণে মনটা একটু বেশিই ভালো।
কেমন লাগছে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে?
তা তো অবশ্যই ভালো। কারণ এর মাধ্যমে আমি দর্শকদের কাছাকাছি এসে জন্মদিনটাকে উপভোগ করতে পারছি।
আজ বাসায় কোনো আয়োজন রয়েছে?
সে তো কাল রাত থেকেই শুরু হয়ে গেছে। রাত ১২টা বাজতে না বাজতেই নাতিরা কেক নিয়ে হাজির। সাথে ছিল ছেলে-ছেলের বৌ। ওরা থাকতে আমার জন্মদিনকে ভুলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আগে জন্মদিনকে কীভাবে পালন করতেন?
আগে তেমন কোনো আড়ম্বরতা না থাকলেও, মা সব সময়ই ব্যস্ত থাকতেন আমাদের সাত ভাইবোনের জন্মদিনে। মজার মজার রান্না, পায়েস, লুচি…কী যে মজার ছিল সেগুলো। মনে হয় এখনও স্বাদ মুখে লেগে আছে।
যখন সিনেমার শুটিংয়ে অনেক ব্যস্ত থাকতেন, তখন জন্মদিনে কী করতেন?
সহশিল্পী আর ছবির সেটের সবাই মিলে মজা করতাম। যদিও তা ছিল সীমিত পরিসরে।
আপনার অভিনীত ‘রূপবান’ চরিত্রকে নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
হ্যাঁ। ‘রূপবান’ চরিত্রটা আমার সাথে একেবারে মিশে আছে। মিস করি সেই দিনগুলোকে। আর তখন আমার বয়সও তো ছিল অনেক কম। মাত্র ১৩-১৪ বছর। অবশ্য ছবির গল্প তেমন বয়স-ই ডিমান্ড করতো। আর রূপবানের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব, তা ওই সময়ের উর্দু ছবির বাজারকে হঠিয়ে দেয়।
আপনার পরিচালিত সফল ছবি ‘অর্পণ’। সামনে পরিচালনা করার ইচ্ছা আছে?
এখন তো বয়স হয়ে গেছে। সবদিক অতটা সামলে চলতে কষ্ট হয়। তবে সুযোগ পেলে অবশ্যই পরিচালনা করব।
আজকের শিল্পীদের প্রতি আপনার পরামর্শ।
তারা তো আমাদের কাছে সন্তানের মতো। সন্তান যত বড় হোক না কেন, মা তাকে সব সময় দিকনিদের্শনা দিতে চায়। তাই বলব, সময়কে মূল্য দিতে হবে, মনোযোগী হতে হবে। আরেকটি পরামর্শ, রোমান্টিক ছবির নায়িকা হতে চাইলে তাকে অবশ্যই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ভালো ভাবে আয়ত্ব করতে হবে।
ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
ছবি: জাকির সবুজ







