ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন রুখতে সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে দেশটির বেসামরিক নাগরিকদের। বাদ যাচ্ছে না দেশটির তরুণরাও, যেমনটা ১৫ বছর বয়সী কিশোর মাইখাইলো আনোপা। রাশিয়ার আক্রমণের আতঙ্কে নিদ্রাহীন রাত কাটানো আনোপা স্বেচ্ছায় অংশ নিয়েছে দেশটির পূর্ব ফ্রন্টে সৈন্যদের জন্য পরিখা খননের কাজে।
সেখানে রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর মোকাবেলা করতে হচ্ছে। আনোপার সঙ্গে যোগ দিয়েছে আরও কিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশু।
এ প্রসঙ্গে আনোপা গণমাধ্যমকে বলেছে: আগে রুশ আক্রমণের ভয় ঘুমাতে পারতাম না। পুতিন আক্রমণ করবে, পুতিন আক্রমণ করবে এমন আতঙ্কে থাকার চেয়ে রুখে দাঁড়ানো ভালো মনে করে এখানে সেনাদের সহযোগিতায় পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। এখন আমরা ইউক্রেনীয় সৈন্যদের সাহায্য করার জন্য পরিখা খনন করেছি। এখন, আমরা তাদের শক্তিশালী করছি। এটা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে দেশটির বেসামরিক নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক ও অস্ত্র চালানোর পাশাপাশি কীভাবে গেরিলা হামলা চালাতে হয় সেটিও শেখানো হচ্ছে হাতে-কলমে। এর পাশাপাশি আহতদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকার মতো প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে বেসামরিক নাগরিকদের। মূলত বয়সে তরুণরাই পাচ্ছেন এমন প্রশিক্ষণ।
হামলা হলে কীভাবে সাজোয়া যানের আড়ালে গিয়ে নিজেকে রক্ষা করে পাল্টা আক্রমণ করতে হবে, তারও চলছে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ। কীভাবে আহতদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নিতে হবে সেটিও শেখানো হচ্ছে হাতে কলমে। রুশ-ইউক্রেন উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে অঞ্চলটিতে। শঙ্কা যেকোনো মুহূর্তে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালাতে পারে রাশিয়া। আর তাই সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে দেশটির বেসামরিক নাগরিকদের।
প্রশিক্ষণের জন্য মূলত বাছাই করা হচ্ছে তরুণদের। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর এবং ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে দেয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ।








