রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ, শেষে রুদ্ধশ্বাস লড়াই। তাতে জয় পেয়েছে শিরোপার দাবিদার খুলনাই। জাতীয় লিগে প্রথম জয়ের খুব কাছে গিয়েও হারের আক্ষেপ নিয়ে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম ছাড়তে হয়েছে রংপুর ক্রিকেটারদের।
রংপুর- ২২৪ ও ২১১, খুলনা- ২৩৩ ও ২০৩/৯
শেষ উইকেটে খুলনার দরকার ছিল ১৬ রান। মইনুল ইসলাম ও আব্দুল হালিম মিলিয়ে দেন কঠিন সে হিসেব। অথচ তার আগে ১০ রানের মধ্যে চার উইকেট হারায় তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুরের বাঁহাতি স্পিনার শুভ একাই নেন ৬ উইকেট।
খুলনার লক্ষ্য ছিল ২০৩। আগের দিন ৫ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ১৩০ রান। চতুর্থ দিনের সকালে সমান ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান ও জিয়াউর রহমান ফিফটি পেরিয়ে যান সহজেই। এরপরই শুরু হয় শুভর তাণ্ডব। রংপুরের এ স্পিনার তুলতে থাকেন একের পর উইকেট। ৫ উইকেটে ১৭৭ থেকে মুহূর্তেই স্কোর হয়ে যায় ১৮৭/৯!
সেখান থেকে অসম্ভবকে সম্ভব করা মইনুল অপরাজিত থাকেন ১৬ রানে। হালিম ২০ বলে ২ রানে থাকেন অপরাজিত।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬০০ উইকেট স্পর্শের ম্যাচে খুলনার আব্দুর রাজ্জাক ১২ উইকেট নিলেও অসাধারণ অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মেহেদী হাসান। এ অফস্পিনার প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ১১৯ রানের ইনিংস খেলে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন দলকে। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫৬। বল হাতে প্রথম ইনিংসে দুটি ও দ্বিতীয় ইনিংসে নেন তিন উইকেট।







