সিরি আ’তে ১৫ ম্যাচে ১৪তম জয় পেয়েছে জুভেন্টাস। শুক্রবার রাতে রুদ্ধশ্বাস ডার্বি ডি ইতালিয়াতে ইন্টার মিলানকে ১-০ গোলে হারায় জুভরা। ইন্টারের সুযোগ নষ্টের ম্যাচে রোনালদো-দিবালাদের জিতিয়েছেন মারিও মানজুকিচ।
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইতে প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ‘গোলের তালা’ খোলেন মানজুকিচ। লিগে ক্রোয়েশিয়ান তারকার সাতনম্বর গোলই জুভেন্টাসের ১৪ নম্বর জয় নিশ্চিত করে দেয়।
১৫ ম্যাচে সম্ভব্য ৪৫ পয়েন্টের মধ্য ৪৩ পয়েন্ট অর্জন করেছে জুভেন্টাস। একটি ম্যাচ ড্র করায় ২ পয়েন্ট কম তাদের। দ্বিতীয়স্থানে থাকা নাপোলির চেয়ে ‘ডাবল ডিজিটে’ এগিয়ে অ্যাল্লেগ্রির দল। প্রথম ও দ্বিতীয় দলের পার্থক্য এখন ১১ পয়েন্টের। যদিও শনিবার রাতেই পয়েন্ট কমানোর সুযোগ পাচ্ছে নাপলি। এদিন তাদের প্রতিপক্ষ ফ্রোসিনোনি।
শিরোপাধারীদের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলা ইন্টার মিলান আছে পয়েন্ট তালিকার তিননম্বরে। শীর্ষস্থানে থাকা জুভদের চেয়ে ১৪ পয়েন্ট পিছিয়ে মাউরো ইকার্দিররা।
জুভেন্টাস ম্যাচ জিতলেও তুরিনে এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে দাপুটে ফুটবল খেলে ইন্টার মিলান। সুযোগ তৈরির দিক দিয়েও জুভদের টেক্কা দেয় তারা। কিন্তু সুযোগ নষ্টের কারণে ম্যাচে এগিয়ে যেতে পারেননি ইকার্দিরা। এমনকি ম্যাচে মিলানের এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়ায় পোস্টও। স্বাগতিকদের হয়ে রোনালদো-দিবালা সুযোগ নষ্ট করলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।
দ্বিতীয়ার্ধে পা রাখতেই ঘরের মাঠে ম্যাচ নিজেদের দখলে নিয়ে নেন জুভেন্টাস ফুটবলাররা। মানজুকিচের গোলের আগে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন রোনালদো। কিন্তু এক্ষেত্রে তার শট বার উচিয়ে চলে যায়। ৬৬ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর নিখুঁত ক্রস ক্লোজ রেঞ্জ হেডে জালে রাখেন ক্রোয়েশিয়ান স্ট্রাইকার। তরুণ মার্টিনেজ মিলানের হয়ে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সেরা সুযোগ পেলেও তার ভলি গোলের অনেকটা বাইরে দিয়ে চলে যায়।
অন্যদিকে আর ব্যবধান বাড়িয়ে নিতে পারেনি জুভেন্টাস। তাই মানজুকিচের একমাত্র গোলেই ডার্বি জিতে মাঠ ছাড়ে তারা। এতে লিগে টানা অষ্টম জয় পেল জুভেন্টাস। আর গত ছয় বছর যাবৎ তুরিনে ম্যাচ জিতে পারেনি ইন্টার। ভালো সুযোগ পাওয়া স্বত্বে এবারও পারল না।








