রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি নাসের আল খেলাইফি। পিএসজি সভাপতি এক পর্যায়ে রেফারির কক্ষে গিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন, করেন ভাঙচুর।
স্প্যানিশ গণমাধ্যমে খবর, রেফারিকে খুঁজতে গিয়ে প্রথমে ভুল করে রিয়ালের একটি কক্ষে ঢুকে যান খেলাইফি। সেখানে রিয়ালের একজন স্টাফকে বলেন, ‘আমি তোমাকে মেরে ফেলব।’ অপ্রীতিকর এমন ঘটনার সময় খেলাইফিকে সংযত করেন দেহরক্ষীরা।
ঘটনাস্থলে উয়েফার কর্মকর্তারা ছিলেন, যারা সবকিছুর সাক্ষী। খেলাইফির আচরণের সবকিছু রিয়ালের এক স্টাফ রেকর্ডও করে রাখেন। উয়েফা যাতে পিএসজি প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়, সেজন্য রেকর্ড করা ফুটেজ পাঠানো হয়েছে ইউরোপের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির কাছে।
বুধবার রাতে সেরা ষোলোর দ্বিতীয় লেগে পিএসজির বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় তুলেছে রিয়াল মাদ্রিদ। হ্যাটট্রিকম্যান করিম বেনজেমার করা প্রথম গোলটি রেফারির ভুল সিদ্ধান্তে এসেছে, এমন অভিযোগ তুলে উত্তেজিত হয়ে পড়েন খেলাইফি।
ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের ৬১ মিনিটে। দৃশ্যত নিজেদের ভুলেই গোল হজম করে পিএসজি। গোলরক্ষক দোন্নারুমার পায়ে ছিল বল। তার কাছে ছুটে গিয়ে চ্যালেঞ্জ জানান বেনজেমা। বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ভিনিসিয়াসের পায়ে তুলে দেন তিনি। ফিরতি পাসে বল পেয়ে গোলমুখে ফাঁকা জায়গা থাকা বেনজেমা ডান পায়ের শটে অনায়াসে জাল খুঁজে নেন।
খেলাইফি ও কোচ পচেত্তিনোর জোরাল দাবি, গোলের আগে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমাকে ফাউল করেছিলেন বেনজেমা। রেফারি ভিএআরের সাহায্য না নেয়ায় তারা ক্ষিপ্ত।
পচেত্তিনো বলেছেন, ‘এটা দোন্নারুমার ভুল ছিল না। পরিষ্কার ফাউল ছিল। প্রতিটা অ্যাঙ্গেলে ৩০ থেকে ৪০ বার ভিডিওতে এটা দেখেছি।’
এদিকে ২০২০ সালে সামনে আসা দুর্নীতির দায়ে খেলাইফিকে ২৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২০২৬ ও ২০৩০ বিশ্বকাপের টেলিভিশন স্বত্ব বিক্রিতে দুর্নীতির দায়ে তাকে শাস্তি দেয়া হয়। একইসঙ্গে ফিফার সাবেক মহাসচিব জেরম ভালকে’কে ৩৫ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।








