হাতে সময় আছে সপ্তাহ খানেকেরও কম। যা করার এর মাঝেই করতে হবে। নয়ত আবারও গুনতে হবে অপেক্ষার প্রহর। চারিদিকে ফিসফাস, বাকি থাকা সময়টুকুর মধ্যেই ঘটতে চলেছে সব। রিয়াল মাদ্রিদ ও কাইলিয়ান এমবাপের মেলবন্ধন খুব সন্নিকটে বলেই খবর স্প্যানিশ-প্যারিস মিডিয়ার কাভারজুড়ে।
ফরাসিদের ২২ বর্ষী বিশ্বকাপজয়ী তারকা এমবাপে রিয়ালের হয়ে খেলতে চান, কয়েক মৌসুম ধরেই এটা খোলামেলা বিষয়। মাদ্রিদিস্তারাও এমবাপেকে আনতে উদগ্রীব, সেটাও কখনও গোপন থাকেনি। দুপক্ষের পথ একই মোড়ে এসে মিলিত হবে একদিন না একদিন, এটা আলোচনায় ছিল সব সময়ই।
সেই সময়টা যে চলতি দলবদলের গ্রীষ্মেই চলে আসবে তা হয়ত হিসাবে ছিল না কারও! মহামারীর ধাক্কায় ক্লাবগুলোর যে দেউলিয়া অবস্থা, তাতে মোটা অর্থ খরচ করে এমবাপেকে আনার কথা রিয়াল ভাবছিল না বলেই খবর। লা প্যারিসিয়ান ফরোয়ার্ড আসছে বছরের জুনে যখন ফ্রি-এজেন্ট হয়ে যাবেন, তখন দাওটা মারতে চান ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।
পিএসজি আবার সেটা ঘটতে দিতে চায় না। চলতি মৌসুমে লা লিগার বেতন কাঠামোর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে বার্সেলোনা যখন লিওনেল মেসির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করল না, তখন পিএসজি আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে দলে টেনে ফেলেছে অনেক কম খরচ করেই।
আর মেসি পিএসজিতে আসার পর এমবাপে বুঝে গেছেন মেসি-নেইমার জুটির ছায়ায় আড়াল হওয়ার জোর সম্ভাবনা আছে তার। তাই যেন মরিয়া হয়ে উঠেছেন ক্লাব বদলের জন্য। সেটা আজন্ম লালিত স্বপ্ন বলে প্রচার পাওয়া রিয়ালের হয়ে খেলার। সুযোগ বুঝে রিয়ালও আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে পিএসজিতে।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুভেন্টাসে চলে যাওয়ার পর এমনিতেই এমবাপে-হালান্ডের মতো কাউকে খুব বেশি করে দরকার হয়ে পড়েছে রিয়ালের। এমবাপের আগ্রহের কারণে তাদের আশার পালে জোর হাওয়া লেগেছে। শেষ খবর, ১৬০ মিলিয়ন ইউরো, তথা ১৬ কোটি ইউরোর প্রস্তাব পাঠিয়ে দিয়েছে রিয়াল।
পিএসজি অবশ্য এত সহতে ছাড়তে নারাজ সোনার ডিমপাড়া হাঁসকে। আবার ধরে-বেঁধে রাখতেও ইচ্ছুক নয় এমবাপেকে। অর্থের অঙ্কটা আরেকটু বাড়িয়ে দিলে, মানে রিয়াল ২০ কোটি ইউরো দিতে রাজি হলেই হ্যাঁ বলে দেবে পিএসজি। এমন খবর ফ্রেঞ্চ গণমাধ্যমে।
বাকিটা ৩১ আগস্টের মধ্যে জানা হয়ে যাবে সবার। ওইদিন চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মৌসুম শেষ হয়ে যাবে।







