জনপ্রিয় নির্মাতা অমিতাভ রেজার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘রিকশা গার্ল’ ইতোমধ্যে বিশ্বের একাধিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পেয়েছে।
এবার রাজধানীর ঢাকায় চলচ্চিত্র বিশেষ প্রদর্শনী উপভোগ করেন যুক্তরাজ্যের প্রিভি কাউন্সিল (রানির উপদেষ্টা) এর সদস্য ও দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরম্যান জে বেকার। সেখানে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের নির্বাহী প্রযোজনায় নির্মিত ‘রিকশা গার্ল’ দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন নরম্যান জে বেকার।
ভিন্নধর্মী গল্পে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি রঙিন পর্দায় সফলভাবে রূপায়িত করায় তিনি সংশ্লিষ্ট কলা-কুশলীদের ধন্যবাদ জানান।নরম্যান চলচ্চিত্রটি দেখার পর রিকশা পেইন্টিং ও এই ধরণের শিল্পকর্মের সঙ্গে এদেশের মানুষের ঘনিষ্ঠতা আরো ভালোভাবে জানার ব্যাপারেও আগ্রহ দেখিয়েছেন।

পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই লিবারেল ডেমোক্রেট রাজনীতিবিদ।
বিশেষ এই প্রদর্শনীতে অতিথিদের কাছে ‘রিকশা গার্ল’ চলচ্চিত্রটি তৈরির পেছনের গল্প তুলে ধরেন চলচ্চিত্রটির প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল ও পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের সোশ্যাল কেয়ার (এনএইচএস-এলবিটিএইচ) এর ম্যানেজার নাসিম আহমেদ, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, ‘এজ দ্য ফাউন্ডেশন’-এর ট্রাস্টি ইফতেখার আহমেদ খান, ব্যারিস্টার সৈয়দ আফজাল, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর অনারারি কনসাল ও রিকশা গার্ল এর সহ-প্রযোজক নাজির আলম প্রমুখ।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের লেখক মিতালি পারকিনসের কিশোরসাহিত্য ‘রিকশা গার্ল’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ‘রিকশা গার্ল’ চলচ্চিত্রটি। যৌথভাবে এ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য করেন নাসিফ ফারুক আমিন ও শর্বরী জোহরা আহমেদ।
‘রিকশা গার্ল’-এর মূল চরিত্রে অভিনয় করেন নাইমা নামের এক কিশোরী; যে কি না ঘটনাক্রমে রিকশা চালানোকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। এতে নাইমা চরিত্রে অভিনয় করেছেন নভেরা রহমান। আরও অভিনয় করেছেন চম্পা, মোমেনা চৌধুরী, নরেশ ভূঁইয়া, অ্যালেন শুভ্র ও অন্যান্যরা।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘রিকশা গার্ল’ ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রেসকট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’, জার্মানির ‘শ্লিঙ্গেল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুরস্কৃত হয়েছে ও সিনেমাবোদ্ধাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। শিগগির বাংলাদেশেও চলচ্চিত্রটি মুক্তির প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।







