রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সন্তানরা। এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আগামী বছরের জুলাই আগস্টের মধ্যেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে। অন্যদিকে বুদ্ধিজীবী হত্যার অবশিষ্ট নীলনকশাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি নিশ্চত করার দাবি জানিয়েছেন শহীদ সন্তানরা।
বধ্যভূমির এই চিত্র প্রতীকী। একাত্তরে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের ঠিক দু’দিন আগে কীভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল, তা নতুন প্রজন্মকে জানাতে এ রকম নানা আয়োজন রায়ের বাজারে। বুদ্ধিজীবী এবং মুক্তিসেনাদের আত্মত্যাগকে স্মরণে রেখে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
হত্যাকাণ্ডের ৪৫ বছর পরও হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলনে আছেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সন্তানরা।
বুদ্ধিজীবী হত্যার শোককে শক্তিতে পরিণত করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আসা মানুষ।







