নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার রায়ের পরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ওই ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। তবে এই রায়ের পরে আতঙ্কে আছেন বলেও জানান তিনি।
রায়ের পর খুবই আতঙ্কে আছেন জানিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সেলিনা ইসলাম বিউটি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমরা যেন এখন নিরাপদে থাকতে পারি। রায়ের পরে আমরা আরো আতঙ্কে আছি। ওদের ক্ষোভতো এখনো শেষ হয়নি। আমরা প্রচণ্ড হুমকির মধ্যে ছিলাম। এ পর্যন্ত আসতে আমাদের অনেক হুমকি শুনতে হয়েছে। আমার আত্মীয় স্বজনকে অনেককে মারধর করেছে, অনেককে মামলার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অন্যান্য ভিকটিমদের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, যেন আমরা অন্তত নিরাপদে থাকতে পারি, ছেলেমেয়েদের নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
সোমবার নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের ঘটনায় দু’টি মামলায় প্রধান আসামি নূর হোসেন, কর্নেল সাঈদ, মেজর আরিফ, মেজর রানাসহ ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং যাবজ্জীবনসহ ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেন। এই আদেশের পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সেলিনা ইসলাম বিউটি এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমরা খুবই সন্তুষ্ট এই রায়ে। দ্রুত এই রায় কার্যকর করা হোক সেটাই আমরা চাই। উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে বলেই প্রত্যাশা আমাদের।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বিকেলে অপহৃত হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জন। তিন দিন পর তাদের মরদেহ পাওয়া যায় শীতলক্ষ্যা নদীর শান্তির চর এলাকায়।







