গলের পর কলম্বোতেও একই চিত্র। টেস্টের প্রথম দিন থেকেই শ্রীলঙ্কাকে চেপে ধরেছে ভারত। লোকেশ রাহুল এবং চেতেশ্বর পূজারার ডাবল রেকর্ডে শুরুতেই কোণঠাসা লঙ্কানরা। দিনশেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৪৪ রান তুলেছে বিরাট কোহলির দল।
এদিন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ খেলতে নেমেছেন চেতেশ্বর পূজারা। মাইলফলকের দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেই আরেকটি মাইলফলক গড়েছেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। ভারতের হয়ে তৃতীয় দ্রুততম ৪ হাজার রানের মাইলফলক গড়েন পূজারা।
বৃহস্পতিবার কলম্বো টেস্টের প্রথমদিনে ব্যাটিংয়ে নামার সময় ৪ হাজার রান থেকে ৩৪ রান দূরে ছিলেন পূজারা। ইনিংসের ৪২তম ওভারে থার্ডম্যানে বল ঠেলে দিয়ে দুই রান নেয়ার পথে চার হাজারি ল্যান্ডমার্কে পৌঁছান।
ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম ৭৯ ইনিংসে চার হাজার রানের মাইলফলক গড়েছিলেন বীরেন্দ্রর শেবাগ। কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কারকে খেলতে হয় ৮১ ইনিংস। অন্যদিকে ৮৪তম ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছালেন পূজারা। তার সমান ৮৪ ইনিংস লেগেছিল রাহুল দ্রাবিড়েরও। সবচেয়ে কম ইনিংসে চার হাজারির রেকর্ডটি অবশ্য অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের। তিনি করেছিলেন মাত্র ৪৮ ইনিংসে।
এদিন টানা পাঁচটি হাফসেঞ্চুরি করার কীর্তিও গড়েছেন পূজারা। সেই সঙ্গে সবশেষ চার টেস্টে তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের এই ক্রিকেটার। সব মিলে ক্যারিয়ারের ১৩ সেঞ্চুরি করে অপরাজিত রয়েছেন ১২৮ রানে। গল টেস্টেও ১৫৩ রান করেছিলেন পূজারা।
পূজারার দিনে মাইলফলক ছুঁয়েছেন লোকেশ রাহুলও। টানা ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দেশিয় রেকর্ড গড়েছেন। ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্ট খেলতে না পারা রাহুল ৫৭ রান করে রানআউটের খাড়ায় কাটা পড়েন।
লোকেশের আগে ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে টানা ছয়টি হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ। তার ২০ বছর পর (১৯৯৭-৯৮) টানা ছয়টি হাফসেঞ্চুরি করেন রাহুল দ্রাবিড়।
বিশ্বের পাঁচজন ক্রিকেটার আছেন যারা টানা সাতটি হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তারা- ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যার এভারটন উইকস ও শিবনারায়ণ চন্দরপল, জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিস রজার্স।
ভারতের আউট হওয়া অন্য দুই ব্যাটসম্যানের মধ্যে শেখর ধাওয়ান করেছেন ৩৫ ও অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৩ রান। আজিঙ্কা রাহানে অপরাজিত আছেন ১০৩ রানে।







