সিরিয়ার ইদলিবে সাম্প্রতিক রাসায়নিক হামলায় বহু বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনায় নিন্দামুখর হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলাকে ‘মানবতার প্রতি অপমান’ অভিহিত করেন তিনি। বক্তব্যে সিরিয়ার মিত্র রাশিয়ার কথা উল্লেখ করেননি ট্রাম্প।
সিরিয়ার বিমান বাহিনীই এই হামলা চালিয়েছে বলে জোড় ধারণা। তবে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ তা অস্বীকার করেছেন। রাশিয়াও দায়ী করছে বিদ্রোহী গ্রুপকে।
তবে ট্রাম্প রাশিয়ার কথা না বললেও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেশটির প্রতি অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছিলো নিকি হ্যালি। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এক বিতর্কে জাতিসংঘের এই মার্কিন দূত সিরিয়ায় দীর্ঘ এই অস্থিতিশীলতার জন্য রাশিয়ার অসহযোগিতাকে দায়ী করেন।
ইদলিব প্রদেশের খান শেইখোন শহরে মঙ্গলবারের সেই রাসায়নিক হামলায় ২০ জন শিশুসহ ৭২ জন নিহত হয়। যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সিরিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ দল আরও জানায়, হামলার পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় অনেক শিশুই শ্বাসকষ্টে ভুগছে, তাদের মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে।
এর আগেও সিরিয়ায় বিপুল প্রাণসংহারী রাসায়নিক হামলার ঘটনা ঘটেছিলো। ২০১৩ সালের আগস্টের সেই হামলায় নিহত হয়েছিলেন শত শত। হামলায় প্রেসিডেন্ট বাশারকে দায়ী করা হলেও তিনি তা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে অবশ্য সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রভান্ডার ধ্বংসে রাজি হয়েছিলেন তিনি।
৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সিরিয়ার এই গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধের কোন ইতিবাচক রাজনৈতিক সমাধানও দেখা যাচ্ছে না।







