সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানসহ ৩১ ছাত্রকে জামিন দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে ১৮ জন কোটা আন্দোলন এবং ১২ জন নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
সোমবার ঢাকার মহানগর মুখ্য হাকিম আদালত এসব শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর করেন।
রাশেদ খান কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্লাটফর্ম ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে’র যুগ্ম আহ্বায়ক।
গত ১ জুলাই দুপুরে মিরপুর-১৪ নম্বরের ভাষানটেক বাজার এলাকার মজুমদার রোডের ১২ নম্বর বাসা থেকে রাশেদকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।
পরে শাহবাগ থানায় করা আইসিটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। মামলাটি দায়ের করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়।
মামলার নথিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন, যা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়াধীন। এরপরও গত ২৭ জুন রাশেদ খান ‘কোটা সংস্কার চাই’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে ভিডিও লাইভে এসে বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য দেন।
তথ্যপ্রযুক্তি আইনের এ মামলায় রাশেদ খানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসায় ভাঙচুরের আরেক মামলায় রাশেদকে আরও পাঁচ দিন রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
রিমান্ড শেষে গত ১৮ রাশেদকে আদালতে হাজির করা হয়। ওই সময় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর জামিন নাকচ করে রাশেদকে কারাগারে পাঠান।
এরপর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন তিনি।







