রাশিয়ার বেলগরদ শহরের একটি তেল সংরক্ষণাগারে হামলার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্রেমলিনের দাবি, হেলিকপ্টার থেকে ওই হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয়রা।
তবে এই দাবি অস্বীকার করেছেন ইউক্রেনের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
বিবিসি বিশ্লেষকদের বরাতে জানায় , হামলায় ব্যবহৃত হেলিকপ্টারটি যে মডেলের তা রাশিয়া ও ইউক্রেন দু’ পক্ষই ব্যবহার করে থাকে।
টুইটারে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে বেলগরদ অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকের কাছে আগুন জ্বলছে।
কিছু ক্লিপ দেখা যায় তেল ডিপোতে উড়োযান আঘাত করছে।
নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি ওলেক্সি ড্যানিলভ বলেন, ‘কোন কারণে, তারা বলছে আমরা এর পিছনে আছি। এটি বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’
ইউক্রেনের বিমান এর আগে রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেনি।
বেলগরদের গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ ইউক্রেনকে হামলা চালানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন এবং পরে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
তিনি বলেন, দুটি ইউক্রেনীয় এমআই-২৪ হেলিকপ্টার অত্যন্ত কম উচ্চতায় রাশিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করে এবং বেলগরদের উপকণ্ঠে একটি বেসামরিক তেল স্টোরেজ সুবিধার উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে কিছু স্টোরেজ ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগুন লেগেছে।
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র বলেছেন, ঘটনাটি কিয়েভের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আরামদায়ক পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে মনে করা যায় না। এখন পর্যন্ত সেই শান্তি আলোচনায় সামান্য অগ্রগতি হয়েছে।








