১৭৯৫ সালে রামগড় ব্যাটালিয়ন হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই বাহিনী নানা বিবর্তন ও ঘটনার পরিক্রমায় সাতবার নাম পরিবর্তন করে এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।
পারস্পারিক আস্থা, শ্রদ্ধাবোধ ও শৃংখলা মেনে দেশের জন্য কাজ করতে বর্ডার গার্ড কর্মকর্তা ও সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সীমান্ত রক্ষা, অভ্যন্তরীণ আইনশৃংখলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বিজিবির প্রশংসা করে এই বাহিনীকে হেলিকপ্টার দেয়ার ঘোষণা দেন।
বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার নির্দশন হিসেবে এবারই প্রথম ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স, এর মহাপরিচালক কৃষাণ কুমার শর্মা ও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিপি কমান্ডার পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ইন্ট তোয়ের নেতৃত্বে দু’দেশের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলো।
বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য ৬০ জন বিজিবি সদস্যকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, প্রেসিডেন্ট বর্ডার গার্ড, বর্ডার গার্ড সেবা ও প্রেসিডেন্ট বর্ডার গার্ড সেবা পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরে দরবারে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে। বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে দেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম চিত্রায়িত করা হয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরিবেশনায়।







