পুলিশি নির্যাতনে গুরুতর আহত বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীর অভিযোগ মামলা হিসেবে নিতে মোহাম্মদপুর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাব্বীকে গ্রেফতার ও নির্যাতনের ঘটনাকে কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুলও দেওয়া হয়েছে। এস আই মাসুদকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে শুধু বরখাস্ত নয়, আরো শক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীকে পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় রোববার রিট করেন রাব্বীকে উদ্ধারকারী তার বন্ধু সাংবাদিক জাহিদ হাসান এবং দুই আইনজীবী। রিটে তারা ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণসহ কয়েকদফা নির্দেশনা চান। শুনানিতে আবেদনকারীর বক্তব্য উপস্থাপনের সময় আদেশ একদিন পিছিয়ে দিতে প্রার্থনা করে রাষ্ট্রপক্ষ। আবেদন মঞ্জুর না করে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের বেঞ্চ।
আবেদনকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, মাননীয় আদালত মন্তব্য করেছেন, বরখাস্তই যথেষ্ট নয়, আরো বেশি হওয়া উচিত। মাননীয় আদালত বলেছেন সে একটা সন্ত্রাসী, প্রথমেই তাই এফআইআর হওয়া উচিত ছিলো। এতদিন কেন এফআইআর করা হয়নি?
পরে হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি অন্তবর্তীকালীন আদেশ দেন। ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন আরো বলেন, এসআই মাসুদ শিকদারের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানাকে ১১ তারিখের আবেদনকারী রাব্বীর যে অভিযোগ সেটা এফআইআর হিসেবে দিতে বলেছেন। তাকে গ্রেপ্তার ও পুলিশি নির্যাতন কেন বেআইনী ঘোষণা করা হবে না, রাব্বীর মানসিক ক্ষতির জন্য কেন তিনকোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না এবং তার মামলাটা এডিশন ডিসটিনক্টচার্জের নিচে নয় এমন কর্মকর্তা গিয়ে তদন্ত করার রুল জারি করেছেন।
স্বরাষ্ট্র ও আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ৭ বিবাদীকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মানবাধিকার রক্ষার বিষয়ে তাদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে।







