ক্যারিয়ারে চতুর্থবার দশ কিংবা তার বেশি উইকেট। সঙ্গে একই ম্যাচে দুইবার বাজে আচরণ করার শাস্তি; অনিশ্চিত সিরিজের বাকি দুই ম্যাচে । অজিদের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে কাগিসো রাবাদা আলো-আঁধার সবই দেখলেন। তার সুনাম-দুর্নামের এমন ম্যাচে চারদিনেই ৬ উইকেটে জিতে গেছে সাউথ আফ্রিকা।
চার টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ১১৮ রানে। ২২ বছর বয়সী রাবাদা এই ম্যাচে ১৫০ রান দিয়ে ১১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া টস জিতে ব্যাট নিয়ে প্রথম দিনেই ২৪৩ রানে অলআউট হয়। ওই ইনিংসে রাবাদা নেন ৫ উইকেট। ৯৮ রানের শুরু পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৯১ বলে ৩৮ রান করে ডেভিড ওয়ার্নারকে রেখে ফেরেন বেনক্রাফট। আগের টেস্টে ডি ককের সঙ্গে ঝগড়া করে বিতর্কে জড়ানো ওয়ার্নার বোল্ড হন এনগিদির বলে। ১০০ বলে ৯ চারে ৬৩ করে সাজঘরে ফেরেন। অধিনায়ক স্মিথ খুব বেশি দূর যেতে পারেননি। ৫৮ বলে তিন চারে ২৫ করেন। তাকে এলবিডব্লিউ করেন রাবাদা। অজিদের প্রথম ইনিংসে ওয়ার্নার বাদে আর কেউ অর্ধশতক ছুঁতে পারেননি।
সাউথ আফ্রিকা নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৮২ রান তোলে। ওপেনার এলগারের ৫৭ রানের লড়াকু ইনিংসের পর ডি ভিলিয়ার্স তার ধ্রুপদী ব্যাটিংয়ের পসরা সাজান। সতীর্থদের যাওয়া-আসার মাঝে ১২৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ১১৭ বলে সেঞ্চুরি করার পর ১৪৬টি বল খেলেন। ২০টি চারের পাশাপাশি একটি ছয় মারেন। আমলা ১৪৮ বলে ছয়টি চারে ৫৬ করে স্টার্কের বলে বোল্ড হন। সব মিলিয়ে সাউথ আফ্রিকা ১৩৯ রানের লিড পায়।
জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২৩৯ রানে গুটিয়ে যায়। এবার রাবাদা আরও বিধ্বংসী। ৫৬ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট।
অজিদের মধ্যে শুধু খাজা অর্ধশতক (৭৫) পান। মার্শ করতে পারেন ৪৫। বাকি ব্যাটসম্যানরা অল্পতে গুটিয়ে গেলে সাউথ আফ্রিকার টার্গেট দাঁড়ায় ১০১।
চতুর্থদিন ২২.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় দলটি। ৩২ রানের ভেতর ওপেনিং জুটি বিদায় নিলেও আমলা (২৭) এবং ভিলিয়ার্স (২৮) ৪৯ রানের জুটি গড়ে দলকে পথে রাখেন। তারা ফিরে গেলে প্লেসিস (২) এবং থিউনিস (১৫) দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।








