বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ঢাকা পর্বের প্রথম ধাপে বোলারদের আধিপত্য দেখা গেছে অধিকাংশ ম্যাচেই। ব্যাটারদের সংগ্রাম করতে হয়েছে রান পেতে।
চট্টগ্রামে দ্বিতীয় পর্বে দেখা যেতে পারে উল্টো ছবি। সব আগের মতো থাকলে বিপিএলের অষ্টম আসরেও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রানের উৎসব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড বন্দরনগরীর ভেন্যুটির। ২০১৯ সালে ষষ্ঠ আসরে রংপুর রাইডার্স ২৩৯ রান তুলেছিল চট্টগ্রাম ভাইকিংসের বিপক্ষে। পরের পাঁচটি সর্বোচ্চ ইনিংসও সাগরিকার মাঠটির দখলে।
চট্টগ্রামে দুইশ’র বেশি দলীয় সংগ্রহ ছয়বার হয়েছে এক আসরেই। এবারও তেমন কিছুর হাতছানি রয়েছে। হাত খুলে মারার সুযোগ পাবেন ব্যাটাররা। একটু বুঝে ব্যাট করলে মেটাতে পারবেন টি-টুয়েন্টির চাহিদা।
ব্যাটাররা নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ অবশ্য খুব বেশি পাবেন না। চট্টগ্রামে ম্যাচ হবে মাত্র আটটি। বিপিএলের দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিতে বুধবার সকালে ঢাকা ছেড়েছে সাকিব-গেইলদের ফরচুন বরিশাল। অন্য দলগুলোও যেতে শুরু করেছে প্রিয় ভেন্যুতে।
মঙ্গলবার সবার আগে বন্দরনগরীতে পৌঁছায় হোম টিম চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। বুধবার সকালে সাগরিকার স্টেডিয়ামে অনুশীলনও করেছে তারা। তিন ম্যাচে দুই জয়ে সর্বোচ্চ চার পয়েন্ট মিরাজদের। ঘরের মাঠ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিপিএলের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ খুলনা টাইগার্স।
চট্টগ্রাম দল ঢাকা পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলে মুশফিকুর রহিমের খুলনার বিপক্ষেই। ২৫ রানের জয়ে শেষ করে শুরুর অভিযান। চ্যালেঞ্জার্সের চট্টগ্রাম পর্বের শুরুটাও হচ্ছে খুলনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই।
চট্টগ্রাম পর্বে চার দিনে বিপিএলের ম্যাচ হবে আটটি। হোম ভেন্যুতে প্রতিদিন রয়েছে সাব্বির-মিরাজদের ম্যাচ।
ঢাকায় প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। দুই দিনের বিরতির পর শুক্রবার বিপিএলের লড়াই শুরু হবে বন্দরনগরীতে। সেখানে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হবে ম্যাচ। ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ফিরবে বিপিএল। সিলেটে আরেকটি পর্ব শেষে চূড়ান্ত পর্বও হবে ঢাকায়।








