কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের জন্মদিন উপলক্ষে নানা আয়োজনের উদ্যোগ নেয় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সমিতির নেতা-সদস্যরা মিলেমিশে এসব আয়োজন সম্পন্ন করেন।
এদিন সকালে নায়করাজ রাজ্জাকের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় শিল্পী সমিতি। এ সময় তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান ও সহ-সভাপতি রিয়াজ।
এরপর বিকাল সাড়ে ৩টা নাগাদ শিল্পী সমিতির অফিসে নায়করাজের জন্মদিনের কেক কাটা হয়। এ সময় কেক কাটেন নায়করাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে অনন্য সাফল্য পাওয়া অভিনেত্রী কবরী। তিনি ছাড়া কেক কাটার সময় উপস্থিত ছিলেন মিশা সওদাগর, আলমগীর, সুচন্দা, ফেরদৌস, জায়েদ খান, পরিচালক আজিজুর রহমান, মুশফিকুর রহমান গুলজারসহ আরও অনেকে।
এসময় নায়করাজ রাজ্জাককে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন তারা। শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, রাজ্জাক সাহেব শুধু একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি আমাদের অভিভাবক ছিলেন। তার দেখানো পথেই আমরা চলছি। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন ওপারেও শান্তিতে থাকেন।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, নায়করাজ ছিলেন শিল্পী সমিতির প্রথম সভাপতি। তার নেতৃত্ব ইন্ডাস্ট্রিকে আলোর পথ দেখিয়েছে। তার নামে একটি শুটিং ফ্লোরের নামকরণের জন্য এফডিসির এমডির কাছে লিখিত দাবি জানাবে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। এই এফডিসিতে তিনি চিরকাল সম্মানের সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
কেক কাটার পর অভিনেত্রী কবরী বলেন, রাজ্জাক ভাইয়ের সঙ্গে অনেকগুলো ছবিতে অভিনয় করার সৌভাগ্য হয়েছিলো। কাছ থেকে দেখেছি মানুষটাকে। সবাইকে কতো সুন্দরভাবে আপন করে নিতেন। আজ তিনি নেই। এই প্রথম তাকে ছাড়া তার জন্মদিনের কেক কাটতে হয়েছে। মনটা ভারি হয়ে আছে। তবুও দোয়া করি, তিনি যেন শান্তিতে থাকেন।
এদিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে নায়করাজ রাজ্জাক স্মরণে একটি আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানেও অংশ নেন চলচ্চিত্রের বরেণ্য সব ব্যক্তিরা। তারা সবাই নায়করাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মরণ করেন।








