ঢাকা পর্বে ডায়নামাইটদের বিপক্ষে ছয় উইকেট আর ১১ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছিল রাজশাহী কিংস, চট্টগ্রামের মাঠেও জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ড্যারেন স্যামীর দল। ইনিংসের একবল বাকী রেখে তিন উইকেটের জয় পেল রাজশাহী। ঢাকার দেওয়া ১৮৩ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সামিত প্যাটেল ও মুমিনুল হকের নৈপুণ্যে কাঙ্খিত জয় পায় রাজশাহী।
এই বিপিএলে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। ষষ্ঠ ম্যাচে এটি রাজশাহীর দ্বিতীয় জয়।
১২ বলে ১২ রান দরকার ছিল রাজশাহীর জয়ের জন্য, আর শেষ ওভারে ৬ বলে ৯। কোলসের করা প্রথম বলেই ব্রাভোর হাতে ধরা পড়েন আবুল হাসান। মিরাজ উইকেটে এসে সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক দেন ফরহাদ রেজাকে। ওভারের তৃতীয় বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে অসাধারণ একটি চার হাঁকিয়ে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ফরহাদ রেজা। তবে উইনিং শটটি আসে মেহেদি হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে। ব্যাক ওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে তার চারের শটেই আনন্দে ভাসে রাজশাহী।
১৮৩ রানের লক্ষে খেলতে নেমে ওভারের প্রথম চার বলে ১২ রান নিয়ে ভাল কিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছিল দুই ওপেনার মুমিনুল হক ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। তবে ব্রাভোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন জুনায়েদ (৪)।
দলীয় ৩১ রানের মাথায় ডিপ মিড উইকেটে নাসিরের দর্শনীয় ক্যাচে পরিণত হবার আগে সাব্বির করেন ৭ রান।
৩১ রানে টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে আবারো যখন আরেকটি হারের শঙ্কা উকি দিচ্ছিল ঠিক তখনই দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেন সামিত প্যাটেল ও মুমিনুল হক।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬৭ বলে যোগ করেন ঠিক ১০০ রান।দুজনেই তুলে নেন ফিফটি। সামিত প্যাটেল ৩৯ বলে ছয়টি ছক্কা ও পাঁচটি চারে করেন ৭৫ রান।মুমিনুল করেন ৪২ বলে আটটি চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান।
তবে ১৩১ ও ১৫৪ রানে মুমিনুল ও প্যাটেলের বিদায়ের পর হারের শঙ্কা জাগে রাজশাহীর।
সাঙ্গাকারার ৬৬ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে রান করে ১৮২ রান করে ঢাকা ডায়নামাইটস।









