ঘুষের বিনিময়ে রাজনের হত্যাকারীকে সৌদি আরব পালিয়ে যেতে সহায়তা এবং মামলার কাজে অসহযোগিতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের উপ-পরিদর্শক আমিনুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আমিনুলকে জালালাবাদ থানা থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।
সিলেটের অনলাইন নিউজপেপার সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডট কমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনের বাবা ও স্বজনদের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমিনুলকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
এর আগে এসব অভিযোগ তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এসএম রুকন উদ্দিনকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
জালালাবাদ থানার ওসি আখতার হোসেন বলেন, আমিনুলকে প্রত্যাহার করে উপ-পুলিশ কমিশনারের (উত্তর) কার্যালয়ে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
রাজনের বাবা আজিজুর রহমান অভিযোগ করেন, রাজন হত্যার পর তিনি মামলা করতে জালালাবাদ থানায় গেলে পুলিশ তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে ও মামলা নিয়ে গড়িমসি করে। এছাড়াও ঘাতক কামরুলকে অর্থের বিনিময়ে সৌদি পালিয়ে যেতে পুলিশ সহায়তা করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাজনের বাবার অভিযোগ, তারা থানায় মামলা করতে গেলে নগরীর জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ও এসআই আমিনুল ইসলাম তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে প্রকৃত খুনিদের আড়াল করার চেষ্টা করেন।
তিনি দাবি করেন, আমিনুল ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে ঘাতক কামরুল ইসলামকে সৌদি আরব পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন।






