প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন: রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনে আনতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় যাবে না নির্বাচন কমিশন। এ দায়িত্ব সিইসির নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ পরবর্তী নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সংলাপ সম্পর্কে জানাতে ইসি ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এসময় সিইসি বলেন: নিজের বিশ্বাস থেকে তিনি জিয়াউর রহমানকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাকারী বলেছিলেন, কাউকে খুশি করতে নয়। কারণ ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দেশে গণতন্ত্র ছিলো না। পরে জিয়াউর রহমান তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
গত ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিএনপির সংলাপে সিইসি কেএম নুরুল হুদা বলেন: জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যুক্ত হন। এর মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।
সিইসির এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী এই বক্তব্যের কারণে সিইসির সঙ্গে তার দলের সংলাপ বর্জন করেন।
পরবর্তী সময়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সংলাপে এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানিয়ে ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তবে আজ সিইসি জনান: আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তার কাছে কেউ কোনো ব্যাখা চায়নি! কারণ হিসেবে তিনি বলেন: হয়তো তারা আমার বক্তব্যে ব্যাখ্যা পেয়েছিলো।
সিইসি বলেন: বিএনপিকে নির্বাচনে আনা কোন চ্যালেঞ্জ নয়, আমি আশা করি দলটি নির্বাচনে আসবে।
এবারের সংলাপে প্রায় চার শতাধিক সুপারিশ এসেছে বলেন জানান সিইসি। সুপারিশ গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করে তিনি বলেন: এগুলোকে আমরা তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারি। এগুলোর কিছু সাংবিধানিক, কিছু আইনসংক্রান্ত আর কিছু নির্বাচন কমিশনের করণীয়।
সিইসি জানান: এর মধ্যে যেসব সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের নিজের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সেগুলো ইসি বাস্তবায়ন করবে। যেগুলো সুপারিশের জন্য আইন প্রণয়ন করতে হবে, সেগুলো সরকারের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে। আর যেগুলো সংবিধানসংক্রান্ত বিষয়, সেগুলো সরকারের কাছে পাঠানো হবে।








