রমজান মাসে শুধু রোজা রাখলেই চলবে না, এর পাশাপাশি সুস্থতার দিকেও নজর দিতে হবে। অসুস্থ হয়ে পড়লে রোজা যেমন চালিয়ে নেওয়া যাবে না, তেমনি কাজেও প্রভাব ফেলবে। তাই সব দিক মিলিয়ে সুস্থতা অনেক জরুরী। তাই মেনে চলতে পারেন কিছু পরামর্শ—
- সময়কে নিয়মের মধ্যে বেঁধে ফেলুন। সব সময় এটা জরুরী হলেও রোজাতে আরও বেশি জরুরি।
- রোদে ঘোরাফেরা একদম করবেন না। এতে পানিশূন্যতা যেমন দেখা দেবে, তেমনি শরীর আরও খারাপ করবে।
- রান্নাঘরে সময় কম দিন। রোজা থেকে আগুনের তাপে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
- রোজা থেকে ঈদ শপিং না করাই ভালো। কারণ, এতে যেমন কথা খরচ হয়, তেমনি শক্তিরও ক্ষয় হয়। ইফতারের পর আপনি সময় নিয়ে শপিংয়ে যেতে পারেন।
- রান্নাঘরে যাওয়ার পূর্বে একটু বিশ্রাম নিয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ রোজায় রান্নাঘরে একটা নির্দিষ্টা সময়ে প্রচুর সময় দিতে হয়। তাই শরীর ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার খাবেন পুরো রমজানেই। কারণ খাবারের মান খারাপ হলে অনেক বেশি ভুগতে হবে আপনাকে।
- বাচ্চা এবং পরিবার পরিজনদের নিয়ে এই রমজানে বাইরে ঘুরতে না গিয়ে বাসায়ই সময় কাটান। আর ইফতার বাইরে খাবার অভ্যাসটাকে পরিহার করুন।
- ইফতার বা রাতের খাবারের পর একটু হাঁটুন। যাতে খাবার হজম হতে সুবিধা হয়। অন্যদিকে সেহরি খেয়েই ঘুমাতে যাবেন না। একটু হাঁটবেন।
- সেহরী না খেয়ে রোজা থাকবেন না। কারণ, এই খাবারটিই আপনাকে সারা দিন শক্তি দেবে।
সর্বোপরি সুন্দর রুটিন মেনে চলুন, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খান এবং সুস্থ থাকুন।








