ছয় ম্যাচের একটি জয় রংপুর রেঞ্জার্সের। বিপরীতে সাত ম্যাচে এক জয় সিলেট থান্ডারের। এই অবস্থায় বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৫তম ম্যাচে সোমবার মুখোমুখি হয় তলানির এই দুই দল। তাতে অবশ্য রঙ ছড়ালো রংপুর। সিলেটকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো শেন ওয়াটসনের দল।
প্রথম ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৩৩ রান করে সিলেট। জবাবে ৭ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
আহামরি টার্গেট না হলেও শুরুটা বাজেভাবেই হয় রংপুরের। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফ্লপ ওয়াটসন। ছয় বলে এক রান করেই ইবাদত হোসেনের বলে সরাসরি বোল্ড হন অজি অলরাউন্ডার।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অবশ্য ৯৯ রান তুলে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেয়ার সঙ্গে দলকে কাঙ্ক্ষিত জয়ের পথে নিয়ে যান মোহাম্মদ নাঈম ও ক্যামেরন ডেলপোর্ট। দুজনের মধ্যে ডেলপোর্টই বেশি আগ্রাসী ছিলেন। রীতিমতো ঝড় তোলেন তিনি। ২৮ বলে ছয়টি চার ও পাঁচ ছক্কায় ৬৩ রান করে নাভেদুল-হকের শিকার হন। নাঈম অপরাজিত থামেন ৩৭ রানে। তার ৪৮ বলের ধীর ইনিংসে সমান দুটি করে চার-ছক্কার মার।
ডেলপোর্টর ফিরে যাওয়ার ক্রিজে নেমে চার রানের বেশি করতে পারেননি লুইস গ্রেগরি। ১০ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করে মোহাম্মদ নবি।
এর আগে প্রথম ব্যাট করতে নেমে রংপুরের বোলারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েন সিলেটের দুই ক্যারিবীয় ওপেনার। রানের খাতা খোলার আগে আন্দ্রে ফ্লেচারকে ফেরান আরাফাত সানি। আরেক ওপেনার জনসন চার্লিসকে (৯) সাজঘরের রাস্তা দেখান মুকিদুল ইসলাম।
সিলেট ইনিংস একাই টানেন মোহাম্মদ মিঠুন। মোসাদ্দেক হোসেন (১৫), রাদারফোর্ড (১৬) ও সোহাগ গাজীদের (১২) আসা-যাওয়ার মধ্যে ঠায় দাঁড়িয়ে যান মিঠুন। ৪৭ বলে চারটি চার ও দুই ছক্কায় ৬২ রান করে আউট হন তিনি। সিলেটের বাকি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেউই দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি।
চার ওভারে ১০ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়ে সফল বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। বাকি চার বোলার নেন একটি করে উইকেট।








