রংপুর জেলার তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, পীরগঞ্জ, বর্ধনকোট ইত্যাদি এলাকায় বেশ কিছু বিখ্যাত জমিদার বংশ ছিল। এর মধ্যে তাজহাট জমিদার বাড়ি সবচেয়ে বিখ্যাত। তাজহাট জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হারালাল রায়। তিনি পেশায় ছিলেন একজন স্বর্ণকার। কথিত আছে, তার মনোমুগ্ধকর ‘তাজ’ বা মুকুটের কারণেই এ এলাকা তাজহাট নামে পরিচিতি পায়। ঐতিহাসিক প্রাসাদটি রংপুর শহর থেকে ৩ কি.মি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রাসাদটি নির্মাণ করেন মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায়। প্রাসাদটি নির্মাণে সময় লেগেছিল প্রায় ১০ বছর। প্রাসাদটির ভূমি নকশা ইংরেজি ইউ এর মতো যার পশ্চিম দিক উন্মুক্ত। দোতলা বিশাল প্রাসাদটির দৈর্ঘ্য ৭৬.২০ মিটার এবং কক্ষ রয়েছে ২২টি। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত প্রাসাদটি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টর হাইকোর্ট বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৯৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর প্রাসাদটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৫ সাল থেকে প্রাসাদের অংশবিশেষ “রংপুর জাদুঘর” হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।






