যোগ্যতার ভিত্তিতেই বাছাই করে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে নাম প্রস্তাব করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব সামসুল আরেফিন। তিনি বলেন: যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের জীবন বৃত্তান্ত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বুধবার বিকেল থেকে দীর্ঘ বৈঠক শেষে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার শাখার সচিব এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান: বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ১০ জনের চূড়ান্ত তালিকা যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে। যত দ্রুত সম্ভব চূড়ান্ত নামের তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেয়া হবে। এজন্য শনিবার সকাল ১১টায় পরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
গত ৫ ফ্রেব্রুয়ারি ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন- ২০২২’ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে সভাপতি করে সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। কমিটির সদস্য করা হয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন এবং অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হককে। সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্বে আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
পরের দিন ৬ ফেব্রুয়ারি সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নাম আহ্বানের সিদ্ধান্ত হয়। দলগুলোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেউ আগ্রহী হলে তিনিও নিজের নাম প্রস্তাব করতে পারবেন বলে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপি ইসি পুনর্গঠনে কোনো নাম প্রস্তাব জমা দেয়নি।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন গঠনে নাম চূড়ান্তের করতে সার্চ কমিটির জন্য নির্ধারিত সময় ১৫ কর্মদিবস। কমিটি প্রতিটি পদের জন্য দুটি করে মোট ১০টি নাম সুপারিশ করবে। এরপর রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য চার কমিশনারের নাম চূড়ান্ত করবেন।
১৪ ফেব্রুয়ারি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মেয়াদ শেষ হয়।







