মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলী মূল রায়ে দু’টি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পেলেও আপিলের রায়ে একটি অভিযোগের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। অন্যটিতে তাকে খালাস দেয়া হয়েছে।
মামলার ১১ নম্বর অভিযোগে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমউদ্দিনকে অপহরণ, ডালিম হোটেলে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যা এবং মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেয়ার অপরাধে মীর কাশেম আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়।
তবে ১২ নম্বর অভিযোগে রঞ্জিত দাস ও টুনটু সেনকে ধরে এনে নির্যাতন করে হত্যা করে কর্ণফুলী নদীতে মৃতদেহ ফেলে দেয়ার অভিযোগ থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্যাতনের ৬ অভিযোগে সাজা বহাল রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর মধ্যে রয়েছে:
– লুতফর রহমান ফারুককে নির্যাতন ও আটকে রাখার অভিযোগে ২০ বছর কারাদণ্ডাদেশ (২ নম্বর অভিযোগ);
– জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে অপহরণ ও অত্যাচারের অভিযোগে ৭ বছর কারাদণ্ডাদেশ (৩ নম্বর অভিযোগ);
– সানাউল্লাহ চৌধুরীকে অপহরণ, নির্যাতন ও আটকে রাখার অভিযোগে ৭ বছর কারাদণ্ডাদেশ (৭ নম্বর অভিযোগ);
– মো. ওসমান, জামালউদ্দিন, কামালউদ্দিন, সরোয়ারউদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া ও গোলাম রহমানকে ধরে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগে ৭ বছর কারাদণ্ডাদেশ (৯ নম্বর অভিযোগ);
– জাকারিয়া, সালাউদ্দিন, ইস্কান্দার ও নাজিমুদ্দিনকে অপহরণ, নির্যাতন ও আটকে রাখার অভিযোগে ৭ বছর কারাদণ্ডাদেশ (১০ নম্বর অভিযোগ);
– এজেএম নাসির উদ্দিন চৌধুরীকে আটকে রেখে অত্যাচারের অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ (১৪ নম্বর অভিযোগ)।
আপিলের রায়ে খালাস পাওয়া অন্যান্য অভিযোগসমূহ:
– শফিউদ্দিনকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ থেকে খালাস (৪ নম্বর অভিযোগ);
– হারুন অর রশিদ খানকে অপহরণ, নির্যাতন ও বন্দি করে রাখার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি (৬ নম্বর অভিযোগ);






