সিরিয়ায় ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পূর্ব ঘোটায় আবারও সরকারি বাহিনীর স্থল ও বিমান হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, রাজধানী দামেস্কের কাছে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ঘোটা শহরের পূর্বাঞ্চলে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাহিনী বিদ্রোহী দলগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন দিকে গুলি ও গোলা বিনিময় চালাচ্ছে।
সিরীয় যুদ্ধবিমানগুলোও টানা আটদিনের মতো বিদ্রোহীর দখলে থাকা ওই অঞ্চলে বোমা বর্ষণ করছে।
আল-জাজিরার দেয়া তথ্য অনুসারে, বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর এসব হামলার জবাব দিচ্ছে। তবে হামলার তীব্রতায় খুব বেশি সুবিধা করতে পারছে না।
হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই সিরিয়ায় এক মাসের যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত হয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। গত সপ্তাহে পূর্ব ঘোটায় সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় মানবিক বিপর্যয়ের পর এই প্রস্তাবে সম্মত হয় তারা।
সরকারি অভিযানে আক্রান্ত এলাকায় আটকে পড়াদের মানবিক সহযোগিতা ও জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্যই এই যুদ্ধবিরতি দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কুয়েত ও সুইডেনের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির এই খসড়া প্রস্তাবটি আনা হয়। কিন্তু আসাদ সরকারের মিত্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়ার বিরোধিতার কারণে শুক্রবারও এ বিষয়ে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়। এর আগেও বারবার যুদ্ধবিরতি কার্যকরের চেষ্টা করা হলেও রাশিয়ার বাধায় কয়েক দফা সিদ্ধান্ত বাতিল হয়।
রাশিয়ার সহায়তায় সিরিয়া সরকার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ঘোটার পূর্বাঞ্চলে সপ্তাহজুড়ে টানা বিমান থেকে বোমা বর্ষণ করছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় ৫শ’ বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করছেন জরুরি সহায়তা কর্মীরা।
তবে সিরীয় বাহিনীর দাবি, তারা পূর্ব ঘোটাকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত করতে লড়ছে।







