যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানি খুলে তোয়ালে আমদানির নামে অর্থপাচারের নয়া কৌশলে নেমেছে ব্যাংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া বিসমিল্লাহ গ্রুপ। বাংলাদেশে এক ব্যক্তিকে রপ্তানিকারক সাজিয়ে হানাটেক্স নামে কোম্পানির মাধ্যমে তারা এই চেষ্টা করেছিল বলে জানা গেছে।
মামলার কারণে বন্ধ থাকা নিজের কারখানাতেই সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করাচ্ছে বিসমিল্লাহ গ্রুপ। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অর্থপাচারেরও অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। তবে অর্থপাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে হানটেক্স।
ঋণ জালিয়াতি, মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ১২’শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ২০১৬ সাল থেকে বিসমিল্লাহ গ্রুপের কর্তাব্যক্তিরা পালিয়ে থাকলেও বসে নেই। যুক্তরাষ্ট্রে বিটিজি বা বিসমিল্লাহ টেক্সটাইল ইনক নামে কোম্পানি খুলেছে ২০১৬ সালে। একইবছর বাংলাদেশে আনিসুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে রাজধানীর উত্তরখানের ৩৩৭/এ ঠিকানা দিয়ে রপ্তানি কোম্পানিও খুলে। ওই ঠিকানায় গিয়ে দু তলা একটি বাড়ি ছাড়া কিছুই পাওয়া যায়নি। গত দুই বছর ধরে এই ঠিকানার বিপরীতে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণপত্র খুলে প্রায় ১’শ কোটি টাকার তোয়ালের আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। নরসিংদীর বিসিকে হানাটেক্সের দুটো কারখানা থাকলেও সেখানে শুধু আছে ওয়েভিং সেকশন। হানার ব্যবস্থাপক স্বীকার করেছেন তারা বিসমিল্লাহ’র সাব কন্ট্রাক্ট করে থাকেন।
হানাটেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিসুর রহমান স্বীকার করেছেন তিনি বিটিজিতে কমমূল্যে টাওয়েল রপ্তানি করেন। বিসমিল্লাহ’র বন্ধ থাকা গাজীপুরের কারখানায় ভাড়ায় কাজ করেন।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিসমিল্লাহ গ্রুপের কার্তব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলা আদালতে চলমান। পলাতক রয়েছে গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১৩ আসামী।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







