যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকিতে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন ওই রাজ্যের গর্ভনর অ্যান্ডি বেসিয়ার।
একইসাথে নিখোঁজ ব্যক্তিদের জীবিত খুঁজে পাওয়ার আশা অনেক কম বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কেন্টাকি রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী টর্নেডো এটি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও আরও চারটি রাজ্যে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
উদ্ধারকাজে ন্যাশনাল গার্ডের প্রায় ৩০০ জনের বেশি সদস্য কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, হয়তো আরও জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা যাবে ধ্বংসাবশেষ থেকে।
শনিবার ২০০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত টর্নেডোর গতিপথে ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সবকিছু ধ্বংস করে যায়।
গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মেফিল্ড পরিদর্শন করে বলেন, মেফিল্ড শহরের চারিদিকে ৩৬৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে (যা প্রায় পুরো কেন্টাকি অঙ্গরাজ্য) সব লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এক কথায় এটা অবর্ণনীয়, এ রকম খারাপ পরিস্থিতি আমি জীবনে কখনো দেখিনি। শিল্প প্রতিষ্ঠান ভবন, ছাদ ও গাছের কিছু অংশ ভাগ্যক্রমে দাঁড়িয়ে আছে, বেশিরভাগই গুড়িয়ে গেছে।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হপকিন্স কাউন্টিতে তীব্র ঝড়ের কারণে একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে গেছে।







