হঠাৎ করেই যুক্তরাষ্ট্রে ২০ কোটি মুঠোফোন ব্যবহারকারীর কাছে চলে যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো ‘প্রেসিডেনশিয়াল অ্যালার্ট’ নোটিফিকেশন। বিভ্রান্ত হওয়ার আগেই জানা যায় জরুরি বার্তা পাঠানোর পদ্ধতি পরীক্ষা করতেই নাকি ওই বার্তা পাঠানো হয়েছে।
বিবিসি প্রতিবেদনের তথ্য মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের জরুরি বার্তার মতই অনেকটা জরুরি সর্তকতা জারির ব্যবস্থার মত এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে ব্যবহারকারী চাইলেও বার্তার নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখতে পারবে না। কিন্তু কোন গ্রাহক মোবাইল বন্ধ করে রাখলেই তবেই এই বার্তা আসবে না।
এই পদ্ধতিকে অনেকেই ‘ট্রাম্প অ্যালার্ট’ বলেই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তবে ট্রাম্প এই পদ্ধতির সাথে সরাসরি জড়িত নন বলে জানা গেছে।
? TODAY (10/3): At 2:18 PM EDT, we will be testing the Wireless Emergency Alert system nationwide. Expect a message box on your phone along with a loud tone and vibration.
Questions? Visit https://t.co/Op8T9AEpiF pic.twitter.com/cCXJGGObPP
— FEMA (@fema) October 3, 2018
এই পদ্ধতিটি পরিচালনা করছে ফেমা- (ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জরুরি কোনো বার্তা সবার কাছে পৌঁছাতে এ পদ্ধতির সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করবে তারা।
এ বার্তার মধ্যে দিয়ে জরুরি হুমকি যেমন রয়েছে তেমনেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, প্রাকৃতিক দুর্যোগেরও বার্তা পাঠানো হবে।
এ বার্তা পাঠানোর সময় একটি শব্দ হয় এবং বাতায় লেখা ছিল ‘দিস ইজ আ টেস্ট অব দ্য ন্যাশনাল ওয়্যারলেস ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট সিস্টেম। নো অ্যাকশন ইজ নিডেড’। ২০১৫ সালে এ সিস্টেম চালু হয়। প্রতি তিন বছর অন্তর একবার এটি পরীক্ষা করে দেখার কথা বলা হয়। এটি গত সেপ্টেম্বর মাসে চালু করার কথা থাকলেও হারিকেন ফ্লোরেন্স নিয়ে মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এটি পরে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত হয়।







