টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলের বড় দুশ্চিন্তার নাম ব্যাটিং। মোটাদাগে বললে টপঅর্ডার আর পাওয়ার প্লে। যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের সামনেও দেখা গেল পুরনো দুর্দশার চিত্র। ৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৩৪ রান তুলে ফেলার পরও পাওয়ার প্লে’তে আসে মোটে ৩৭ রান। চার বলের ব্যবধানে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের সাজঘরে ফেরার পর ১১.২ ওভারে স্কোর হয়ে যায় ৬৮/৪। বিপর্যয় থেকে তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টেনে তোলেন। সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে এনে দেন ১৫৩ রানের পুঁজি।
টেক্সাসের হিউস্টনের প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্স মাঠে স্থানীয় সময় সকালের আবহাওয়া ছিল মেঘলা। বোলিংয়ের জন্য অনুকূল কন্ডিশনে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান যুক্তরাষ্ট্র অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। সৌম্য-লিটন ওপেনিংয়ে ভালো সূচনা এনে দিয়ে ফেরার পর ১২ ওভার পর্যন্ত ধুঁকতে হয় বাংলাদেশকে।
এটি দুই দলেরই মুখোমুখি হওয়া প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। শুরুটা দেখেশুনে করেন সৌম্য-লিটন। ২ ওভারে ১১ রান তোলা বাংলাদেশ পরের দুই ওভারে ২৩ রান যোগ করে। পঞ্চম ওভারে জাসদীপ সিংহের তৃতীয় ডেলিভারি নিচু হয়ে এসে প্যাডে লাগে লিটনের। ডানহাতি পেসারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন বাংলাদেশ ওপেনার। ১৫ বলে একটি করে চার-ছয়ে করেন ১৪ রান। পরের ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। অফস্পিনার স্টিভেন টেইলরকে ছক্কা মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে সীমানা দড়ির কাছে ধরা পড়েন। ১৩ বলে তিন বাউন্ডারিতে ২০ রান করেন সৌম্য।
তিনে নামা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২২ গজে মানিয়ে নিতে পারেননি। ১১ বলে ৩ রান করে ফেরেন সাজঘরে। হতাশ করেছেন অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান। ১২ বলে ৬ রান করে ফেরেন। ৩৪ রানের মধ্যে চার উইকেট হারানো দলকে পথ দেখান হৃদয়-মাহমুদউল্লাহ। ৪৪ বলে ৬৭ রানের জুটি গড়েন।
বিশ্বকাপ স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া হয় একাদশ। র্যাঙ্কিংয়ে ১০ ধাপ পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে পূর্ণশক্তি নিয়ে নামে বাংলাদেশ। তারপরও ব্যাটিংটা টি-টুয়েন্টি সুলভ হয়নি।
৪৭ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে শেষ বলে আউট হন হৃদয়। ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মার ছিল তার ইনিংসে। ২২ বলে দুটি চার একটি ছয়ে ৩১ রান করেন সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ। ৫ বলে দুটি চারে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন জাকের আলী।








