ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর নির্বাচনে প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। তবে মেয়র প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে করেছেন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। জাতীয় পার্টির এমপির বিরুদ্ধে নিজ দলের প্রার্থীর হয়ে সরাসরি প্রচারণার অভিযোগ রয়েছে। তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন প্রমাণের অভাবে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
মন্ডার জন্য প্রসিদ্ধ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা। দরজায় কড়া নাড়া পৌর নির্বাচনের প্রচারণায় জমজমাট মুক্তাগাছা। নির্বাচনী অঙ্গীকারের পাশাপাশি পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দুই মেয়র প্রার্থীর।
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আব্দুল হাই আকন্দ বলেন, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ক্রমাগত নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান লেলিন এসবকে মিত্যা হিসেবেই উল্লেখ করে বলেন, এসব কথা বানোয়াট। আমাকে এবং আমাদের এমপিকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এসব প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে।
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আওয়ামী লীগের দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পি মাঠে নেমেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। কঠিন লড়াইয়ে আশাবাদী হলেও প্রশ্ন তুলছেন প্রতিপক্ষের আচরণ নিয়ে। বলেন, আব্দুল হাই আকন্দের সমর্থকদের পক্ষ থেকে নতুন নতুন গুজব, মিথ্যা তথ্য এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
প্রার্থীদের সব অভিযোগের ব্যাপারে অবগত আছেন বলেই জানান নির্বাচনী কর্মকর্তা। সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বললেন, এমপির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগে এসেছে। প্রমাণের অভাবে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তারপরও মৌখিকভাবে তার সঙ্গে আলোচনা করেছি।
৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মুক্তাগাছা পৌরসভা। ৩৩ হাজার ৭শ’ ৭৫ জন ভোটারের এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ৫জন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।






