১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাজারবাগ এবং পিলখানায় গণহত্যার পর টার্গেট করা হয় ময়মনসিংহের ইপিআর হেডকোয়ার্টার। সেখানকার বাঙ্গালী ইপিআর সদস্যরা তা জানতে পেরে প্রস্তুতি নেয় যুদ্ধ শুরুর। ৪ ঘন্টার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ১২১ জন পাকিস্তানী সৈন্য নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে ময়মনসিংহের ইপিআর হেডকোয়ার্টার।
২৬ মার্চ রাতে বাঙ্গালী ইপিআর সদস্যদের অস্ত্র জমা দিতে নির্দেশ দেয় ময়মনসিংহের ইপিআর হেড কোয়ার্টারের অবাঙ্গালি কমান্ডার ইনচার্জ। সন্দেহ দানা বাঁধলে সে রাতেই যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয় ইপিআর সদস্যরা। পরদিন সকালে ময়মনসিংহের বিক্ষুদ্ধ মুক্তিকামী জনতা মিছিল নিয়ে ইপিআর হেডকোয়ার্টারের দিকে আসতে থাকে। সাধারণ মানুষ আন্দোলন শুরু করেছে জানতে পেরে মনোবল জোরালো হয় ইপিআরের বাঙ্গালি সদস্যদের। ২৮ মার্চ বাঙ্গালী ইপিআর সদস্যদের অস্ত্র জমা দিতে চাপ দিলে শুরু হয় যুদ্ধ। প্রাণপণ লড়াই শেষে ইপিআর হেডকোয়ার্টার নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।
ময়মনসিংহের মুক্তিযুদ্ধে ২৮ মার্চ আসে প্রথম জয়। মেজর কেএম শফিউল্লাহ ময়মনসিংহ ইপিআর হেডকোয়ার্টারের দায়িত্ব দেন ক্যাপ্টেন মতিউর রহমানকে। পরে ইপিআর হেডকোয়ার্টারের অস্ত্র নিয়ে ময়মনসিংহ জেলা স্কুলে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ হয়। ১৭ এপ্রিল বিমান হামলা চালিয়ে ময়মনসিংহ শহর দখলে নিয়ে রাজাকার কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানী হানাদাররা। ১০ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা আবারও ময়মনসিংহ শহর দখল করে। উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:
https://www.youtube.com/watch?v=qTOdhFLDox4&feature=youtu.be








