তরুণ চিকিৎসক মিথিলার মরদেহের ময়না তদন্তের পর প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য মিথিলার স্বামী স্বাচিপ নেতা ডাক্তার মিজানুর রহমানকে অভিযুক্ত করে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে মিথিলার পরিবার। স্বজনদের অভিযোগ, দায় এড়াতে অসুস্থতার নাটক সাজিয়ে মিথিলার স্বামীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তারদের জন্য বরাদ্দ ডরমেটরি এ/৪ কক্ষ থেকে রোববার রাতে উদ্ধার করা হয় মিথিলার মরদেহ। স্বজনদের অভিযোগ, মিথিলার আত্মহত্যার খবরটি তাদের সময়মতো জানানো হয়নি। পরিবারের অনুরোধে বোর্ড গঠন করে মিথিলার মরদেহের ময়না তদন্তের পর মরদেহ মিথিলার মা-বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়।।
মর্গে মিথিলার শ্বশুর বাড়ির লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। স্বামী ডাক্তার মিজানুর রহমানের সঙ্গে মিথিলার সুখি দাম্পত্য সম্পর্ক ছিলো বলে দাবি করেন তারা।
মিথিলার পরিবার জানায়, দেড় বছরের দাম্পত্য জীবনে মিথিলার বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে কুমিল্লার কান্দিরপাড় বাবার বাড়িতে। দেড় মাস আগে স্বামী মিজানুরের নামে কোয়ার্টার বরাদ্দ হলে মিথিলার সংসার জীবন শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে নারিন্দায় মামার বাড়িতেই উঠেছিলেন মিথিলা। পরে সন্ধ্যায় মামা মিথিলাকে পৌঁছে দেন তার স্বামীর বাসায়।
মিথিলার শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়দের দাবি, মিথিলার আত্মহত্যার খবরে স্বামী ডাক্তার মিজানুর রহমান স্ট্রোক করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ডাক্তার মিজানুর রহমানের অসুস্থতা স্ট্রোক নয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরো বলছে, ঘটনার তদন্তে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।







