ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীর আনুষ্ঠানিকতায় দুই হাতে দুটি ট্রফি নিয়ে দাঁড়িয়ে হাস্যোজ্জ্বল মুখে কথা শুরু করলেন তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশের জয়ে অবদান আগেও রেখেছেন, তবে সিরিজের সেরা খেলোয়াড় হতে পারেননি কখনো। সাউথ আফ্রিকার মাটিতে সেই অপূর্ণতা ঘুঁচল টাইগার পেসারের।
ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর তাসকিন জানালেন অসাধারণ জয়ে অবদান রাখতে পেরে গর্বিত, ‘প্রথমবার আমরা সাউথ আফ্রিকায় সিরিজ জিতেছি। আমি গর্বিত। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথমবার সিরিজসেরা হলাম, আমি সত্যিই গর্বিত এবং খুশি।’
নিজের আগ্রাসী বোলিং নিয়ে বললেন, ‘গত দেড় দুই বছর ধরে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। একই প্রক্রিয়া ও মানসিকতা নিয়ে আজও বোলিং করেছি। ভালোভাবে সেটি করতে পেরেছি এবং সফল হয়েছি। আশা করি এরকম ভবিষ্যতেও করতে পারব। অধিনায়ক (তামিম) আমার দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছে, সেটি হল বলে গতি ও আগ্রাসন। সেটি শুধু অনুসরণ করেছি।’
বিদেশের মাটিতে পেসারের ৫ উইকেট শিকারে তাসকিনকে নিয়ে গর্বিত তামিমও। টাইগার ক্যাপ্টেন বললেন, ‘আমাদের স্পিন শক্তির দলই সবাই মনে করে। কিন্তু গত দুই বছরে পেসাররা অনেক উন্নতি করেছে। এজন্য বর্তমান কোচ ও আগে যারা পেসারদের নিয়ে কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই।’
সিরিজ জয়ের দিনে তৃতীয় ওয়ানডে জয়ে বিরাট অবদান রাখেন তাসকিন। দেশের বাইরে প্রথমবার ৫ উইকেট দখল করেন গতি তারকা।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করে সাউথ আফ্রিকা দেড়শ পেরিয়ে গুটিয়ে যায়। ১৫৫ রানের সহজ লক্ষ্য বাংলাদেশ টপকে যায় মাত্র ২৬.৩ ওভারে, একটি উইকেট হারিয়ে। তামিম ইকবাল ৮২ বলে ১৪ চারে ৮৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ২০ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব আল হাসান।
তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল ১০ উইকেটে জয়ের ইতিহাসই লিখতে চলেছে বাংলাদেশ। জয়ের খুব কাছে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয় জুটি। দলীয় ১২৭ রানে ফিরে যান লিটন। কেশভ মহারাজের বলে বাভুমার হাতে ক্যাচ দেন। ৫৭ বলে ৮টি চারে করেন ৪৮ রান।








